2 Answers
জিঙ্ক ২০ এর উপকারিতা: জিঙ্ক স্বল্পতা ডায়রিয়া লিভার সিরোসিস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস ঠান্ডা লাগা ঘ্রাণশক্তি হ্রাস যৌনশক্তি হ্রাস চুল পড়া রিউমাইটেড আর্থাইটিস প্রভৃতি রোগে এটি উপকারে আসে। অপকরিতা: এটির অপকারিতা নেই। সুসহনীয় এটি। কারো কারো বমি, মাথাব্যথা হতে পারে। তবে তা বিরল।
বহু বছর ধরে জিংক একটি অতি প্রয়োজনীয় একটি পুষ্টি উপাদান। খাদ্য গ্রহণের রুচী বজায় রাখা, প্রজনন স্বাস্থ্য, ত্বক, হাড়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ইত্যাদি কাজ ছাড়াও দু’শরও বেশি এনজাইমের কাজে কো-ফ্যাকটর হিসেবে ভূমিকা পালন করে। এবারে আসুন দেখি জিংক কিভাবে শোষিত হয়ঃ এটা শোষিত হয় ক্ষুদ্রান্তে। “Journal of Nutrition” অনুযায়ী সাইট্রিক এসিড zinc-binding ligand হিসেবে কাজ করে জিংক এর শোষন বাড়িয়ে দেয়। এবারে চলুন দেখি এর কাজ কিঃ ১। বিপাকীয় কাজঃ ২০০ এরও বেশি এনজাইমের কাজ করতে জিংক অংশ গ্রহণ করে। এছাড়াও দেহের আরও অনেক বিপাকীয় কাজে জিংক অংশ নেয়। শর্করা ভাঙনে ভূমিকা রয়েছে, এছাড়া দেহ কোষের বৃদ্ধি, জনন এসবেও সহযোগীতা করে। ২। রোগ-প্রতিরোধেঃ জিংক এর একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো এন্টিঅক্সিডেন্ট-প্রতিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেয়া রোগ-জীবাণু প্রতিরোধে জিংক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে জিংক এর অভাব রয়েছে এমন প্রাণি সহজে জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়। ৩। রুচি বাড়াতেঃ লালা গ্রন্থির জিংক নির্ভর পলিপেটাইড, গাসটিন এর মাধ্যমেই স্বাদের অনুভূতি পাওয়া যায়। কাজেই যদি জিংক এর অভাব থাকে তবে স্বাদ বোঝার ক্ষমতা কমে যায় অর্থাৎ রুচি কমে যায়। ৪।। চর্ম ও হাঁড়ের বৃদ্ধিঃ জিংক এমন একটি পুষ্টি উপাদান যা পোল্ট্রীর দৈহিক বৃদ্ধি, হাঁড়ের বৃদ্ধি, পালক বিন্যাস, এনজাইমের গঠন ও তার কাজ এবং রুচি বৃদ্ধিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভ্রুণের বৃদ্ধিকালিন সময়ে কঙ্কাল-এর বৃদ্ধির জন্য কেরাটিন তৈরি ও তার পরিপক্কতা, ক্ষত সারানো, আবরনি কোষের রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি কাজের দ্বারা জিংক ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষা করে থাকে। ৫। তাপ জনিত ধকল প্রতিরেধে তাপ জনিত ধকলে প্রাণির উৎপাদনশীলতা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায়। দেখা গেছে যদি খাদ্য তালিকায জিংক এর সরবরাহ থাকে তবে তা এই ধকল প্রতিরোধে সাহায্য করে।