2 Answers

অনেকে আছেন পাইলসকে অবহেলা করেন। যদি পাইলস থাকা অবস্থায় কেউ হৃদরোগে আক্রান্ত হন তাহলে হৃদরোগের চিকিৎসার পূর্বে পাইলস অপারেশন করে আসা প্রয়োজন। কারণ হৃদরোগ অপারেশনের পর রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধক ওষুধ খেতে হবে বহুদিন। তখন পাইলসের রক্ত যাওয়ার পরিমাণ বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যাবে। রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধকারী ওষুধের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এসপ্রিন, ডিসপ্রিন ও ইকোসপ্রিন। অনেক উচ্চ রক্তচাপের রোগীও এসপ্রিন, ডিসপ্রিন ও ইকোসপ্রিন জাতীয় ওষুধ নিয়মিত খাচ্ছেন। এগুলো দেয়া হয় হৃদরোগ প্রতিরোধের জন্য। ওষুধটি রক্ত জমাট বাঁধতে বাঁধা দেয়। এমতাবস্থায় পাইলসের রক্তক্ষরণ বন্ধ করা খুবই কষ্টকর। অতএব অবহেলা না করে সময় থাকতে পাইলসের চিকিৎসা করে নেয়া জরুরি। অধ্যাপক ডা. একেএম ফজলুল হক বৃহদন্ত্র ও পায়ুপথ সার্জারি বিশেষজ্ঞ চেম্বার : জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ হসপিটাল (প্রাঃ) লিঃ ৫৫, সাত মসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা ফোন : ০১৭২৬৭০৩১১৬, ০১৭১৫০৮৭৬৬১।

5365 views

অনেকে আছেন পাইলসকে অবহেলা করেন। যদি পাইলস থাকা অবস্থায় কেউ হৃদরোগে আক্রান্ত হন তাহলে হৃদরোগের চিকিৎসার পূর্বে পাইলস অপারেশন করে আসা প্রয়োজন। কারণ হৃদরোগ অপারেশনের পর রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধক ওষুধ খেতে হবে বহুদিন। তখন পাইলসের রক্ত যাওয়ার পরিমাণ বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যাবে। রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধকারী ওষুধের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এসপ্রিন, ডিসপ্রিন ও ইকোসপ্রিন। অনেক উচ্চ রক্তচাপের রোগীও এসপ্রিন, ডিসপ্রিন ও ইকোসপ্রিন জাতীয় ওষুধ নিয়মিত খাচ্ছেন। এগুলো দেয়া হয় হৃদরোগ প্রতিরোধের জন্য। ওষুধটি রক্ত জমাট বাঁধতে বাঁধা দেয়। এমতাবস্থায় পাইলসের রক্তক্ষরণ বন্ধ করা খুবই কষ্টকর। অতএব অবহেলা না করে সময় থাকতে পাইলসের চিকিৎসা করে নেয়া জরুরি।

5365 views