1 Answers

সন্তান প্রসব হওয়ার পর স্ত্রীলোকের যৌনাঙ্গ দিয়ে যে রক্তস্রাব বের হয়, একেই নিফাস বলে। নিফাসের সময় ঊর্ধ্ব সংখ্যায় চল্লিশ দিন। চল্লিশ দিন অপেক্ষা বেশী নিফাস হতে পারে না। কমের কোন সীমা নেই। যদি কারো মাত্র দু’এক ঘন্টা রক্তস্রাব হয়ে রক্ত বন্ধ হয়ে যায়, তবে এ দু’এক ঘন্টাকেই নিফাস বলা হবে। মাসআলাঃ যদি কোন স্ত্রীলোকের প্রসবান্তে চল্লিশ দিনের হবেশি রক্তস্রাব হয় এবং এটাই প্রথম প্রসব হয়; তবে চল্লিশ দিন নিফাস হিসেবে গণ্য হবে। বাকি সব ইস্তিহাযা। আর যদি ইতিপূর্বে আরো সন্তান প্রসব হয়ে থাকে এবং নিফাসের সময়ের কোন নিয়ম থাকে, তবে নিয়মের কয়দিন নিফাস হবে, বেশি কয়দিন ইস্তিহাযা হবে। মাসআলাঃ কোন স্ত্রীলোকের নিয়ম ছিল, প্রসবান্তে ত্রিশ দিন রক্তস্রাব হওয়ার, কিন্তু একবার ত্রিশ দিন চলে যাওয়ার পরও রক্ত বন্ধ হল না, তাহলে সে এখন গোসল করবে না বা সহবাসও করবে না, অপেক্ষা করবে। যদি পূর্ণ চল্লিশ দিনের শেষে বা চল্লিশ দিনের ভিতরে রক্ত বন্ধ হয়, তবে সব কয়দিনই নিফাসের মধ্যে গণয় হবে। আর যদি চল্লিশ দিনের বেশি রক্তস্রাব জারী থাকে, তবে ত্রিশ দিন নিফাসের গণ্য হবে; অবশিষ্ট কয়দিন ইস্তেহাযা। চল্লিশ দিনের পর গোসল করবে এবং নামায পড়বে। ত্রিশ দিনের পরের দিশ পরের দশ দিনের নামায ক্বাযা পড়বে।। (নিফাসের সময় রোযা, নামায এবং স্বামী সহবাসের হুকুম হায়েযের অনুরূপ বলে গণ্য)। একটি প্রশ্নঃ যদি কোন মহিলার প্রথম প্রসবের পর চারদিন রক্তস্রাব হয়ে রক্ত বন্ধ হয়ে গেল। অতঃপর এ অবস্থায় একদিন একরাত অতিবাহিত হয়ে গেল, তবে স্বামীর জন্য তার সঙ্গে সহবাস করা জায়েয হবে কিনা? জবাবঃ প্রশ্নে উল্লেখিত ক্ষেত্রে সহবাস করা জায়েয আছে। (ইমদাদুল ফাতাওয়া)

9890 views

Related Questions