1 Answers
মোবাইল কেনার পর করনীয়: মোবাইল কেনার পর প্রথম কাজটি হলো সেটি সিকিউর করা। এর জন্য নিচের পরামর্শগুলি একে পালন করুন। ১. ২৪ ঘন্টার জন্য মোবাইলকে ইন্টারনেটের সাথে কানেক্ট রাখুন। বাসায় যারা ওয়াইফাই ব্যবহার করেন তারা বাইরে যাওয়ার সময় মোবাইল ডেটা অন রাখুন। প্রয়োজনে মোবাইল সিকিউরিটির জন্য ৩১ দিনের একটা মোবাইল ডাটাপ্যাক ডেডিকেটেড রাখুন। অন্তত যেখানে চুরি হওয়ার ভয় থাকে সেখানে ইন্টারনেট অন করে রাখুন। এটা মোবাইল সহজে খুঁজে পাওয়ার একমাত্র পথ। ২. GPS বা লোকেশন সার্ভিস অন রাখুন ২৪ ঘন্টার জন্য। গুগল ম্যাপ আপনাকে পিনপয়েন্ট লোকেট করার জন্য GPS ব্যবহার করে। এটা বিপদকালীন সময়ে আপনাকে লোকেট করতে পুলিশের কাজে লাগে। ৩. মোবাইল অনুযায়ী নিচের কাজগুলো করুন। Samsung: i) Settings > Security > Find My Mobile > Remote Controls এক্টিভেট করুন। Add account এ Samsung এর ওয়েবসাইটের জন্য একটা একাউন্ট খুলুন। Use wireless network চেকবক্সে টিকমার্ক দিন, Location consent এ agree করুন। বিস্তারিত: Click This Link:P&FV=FV:18&VC=VC:Y&SM=SM:Y&modelID=SM-N9005&product=Galaxy%20Note3 Sony: i) Settings > Security > my Xperia টাচ করুন, Activate টাচ করুন, তারপর Accept to agree to the terms and conditions for my Xperia. টাচ করুন। এটা my Xperia ওয়েবপেজে আপনাকে একটা একাউন্ট খুলতে বলবে। একাউন্ট খুলুন বা আপনি গুগল একাউন্ট দিয়ে লগইন করতে পারেন। HTC: i) প্রথমে আপনাকে HTCSense.com এ একটা একাউন্ট করতে হবে। এরপর আপনার ফোনের Settingss > Location এ Phone finder চেকবক্সে টিক মার্ক দিন। (অন্যান্য ফোনের ক্ষেত্রে আপনি গুগলে how to find lost symphony mobile ইত্যাদি মতো লিখে সার্চ করতে পারেন) ii) Security Settings এ Device Administration এ ট্যাপ করুন। Android Device manager এক্টিভেট করুন। iii) Settings এ Location Service এ ট্যাপ করুন। সবগুলো চেকবক্সে টিক মার্ক দিন। (মোবাইল ভেদে উপরোক্ত সেটিং বিভিন্ন হতে পারে। আপনি যখন স্মার্টফোন ব্যবহার করছেন ধরে নিতে পারি আপনি নিজে নিজেই সিকিউরিটি সেটিংস করে নিতে পারবেন। প্রয়োজনে গুগলের আশ্রয় নিতে পারেন।) উপরোক্ত ব্যবস্থার ফলে আপনার একাউন্টকৃত সাইটে গিয়ে মোবাইলটি পিনপয়েন্ট লোকেট করতে পারবেন এবং তাতে রিং করতে পারবেন। কাজগুলো ঠিক হয়েছে কিনা অন্য মোবাইল বা ল্যাপটপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রিকৃত সাইটে লগইন করে পরীক্ষা করুন। সাইটে যদি মোবাইল নম্বর দেযার ব্যবস্থা থাকে তবে তা দিতে ভুলবেন না। এ নম্বরটি হবে আপনার অন্য সেটে ব্যবহৃত নম্বর। চুরি হওয়া সেটে সিম পরিবর্তন করলে অনেক সময় আপনি এ নম্বরে চোরের নম্বর ও লোকেশন তথ্য SMS অাকারে পেয়ে যাবেন। কিছু কিছু সেটে উপরোক্ত সেটিংস নাও থাকতে পারেন। থাকুক আর না থাকুক পাশাপাশি আরো দু তিনটি এপের সাহায্য নিন। নির্ভর করা যায় যেসমস্ত এপে, সেগুলোর কয়েকটি হলো TrestGo Inc এর Antivirus and Mobile Security, Kaspersky inyernet security, Cerberus anti theft, Prey Anti theft ইত্যাদি। সবগুলোরই ফ্রী ভার্সনের পাশাপাশী পেইড ভার্সন আছে। তবে Prey সম্পূর্ণ ফ্রী তিনটি মোবাইলের জন্য। কিছু কিছুর পাইরেট কপিও পাওয়া যায় টরেন্ট সাইটগুলোতে। দেখে শুনে পছন্দমত ইনস্টল করে নিন। যেগুলো এককালিন পরিশোধ করে সবসময় ব্যবহার করা যায় সেগুলোই ভালো। সবগুলোতে স্ব স্ব সাইটে একটা একাউন্ট ওপেন করতে হয় যা এপটি চালু করার সময়ই হয়ে যাবে। এপটিতে আপনার পছন্দমত সেটিং করে নিন। আমার মতে কমপক্ষে দুটি এপ ব্যবহার করা উচিত। যদি কোনো কারণে একটাতে হারানো ফোনটি লোকেট করতে না পারেন তবে অন্যটাতে চেষ্টা করতে পারবেন। এপগুলো ইনস্টল করার পর তারা ঠিকমত কাজ করে কিনা অন্য মোবাইলে বা কম্পিউটার থেকে সংশ্লিষ্ট সাইটে গিয়ে আপনার একাউন্টে লগইন করে পরীক্ষা করে দেখুন। এপে বা রেজিস্ট্রিকৃত সাইটে ব্যবহৃত পাসওয়ার্ড টুকে নিয়ে সবময়ের জন্য সাথে রাখতে ভুলবেন না। ৪. লক স্ক্রিনের জন্য পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। এতে কেউ আপনার কৃত সেটিংস পরিবর্তন করতে পারবে না। ৫. গুগল প্লে থেকে ফ্রী Smart lockscreen ইনস্টল করুন। এটি ওপেন করে Enable lockscreen অন করুন। আপ-রাইট কর্নারে সেটিং বাটনে টাচ করুন। Delay time টাচ করুন। এখানে সময় ৯০ ms এর নীচে সেট করুন। এতে করে চোর ফোন সাইলেন্ট বা পাওয়ার অফ করতে পারবে না। স্ক্রিন লক করে পাওয়ার বাটন চেপে ধরুন। দেখুন পাওয়ার মেনু আসে কিনা। যদি অনেক্ষন চেপে ধরার পরও পাওয়ার মেনু না আসে বা আসার সাথে সাথে চলে যায় তবে আপনি ঠিকভাবেই সেট করতে পেরেছেন। এবার আপনার মোবাইলটি চোরের হাত থেকে নিরাপদ হল। ৬. মোবাইলে Dropbox ইনস্টণ করে রাখুন। ড্রপবক্সের Camera Upload একটিভ রাখুন। এতে আপনার হারানো ফোনে তোলা ফোটো Dropbox এ সেভ হয়ে থাকবে। এটা ফোনকে লোকেট করতে সাহায্য করবে।