1 Answers

১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ২৮ ধারার সম্পত্তির অধিকারের অবসান কথাটির আলোকে সম্পত্তি জবরদখল বা বিরুদ্দ দখলের জন্য যে সমস্ত উপাদানের কথা বলা হয়েছে তা নিম্নে আলোচনা করা হয়েছে – ১) জবরদখরকারীকে প্রকৃতপক্ষে জমিতে দখলদার থাকতে হবে। জবরদখরকারীর দখর নাই অথচ খতিয়ানে তার নামে দখল দেখা আছে এরুপ কাগজী দখলের কোন কাজ হবে না।  ২)সম্পত্তির দখল নিরবচ্ছিন্ন, পকাশ্য এর্ং প্রকৃত মারিকসহ অন্যান্য সকলের বিরুদ্ধে হতে হবে। এজন্যই জাতীয় দখলের অপর নাম বিরুদ্দ দখল জনিত স্বত্ব।  ৩) জবর দখরকারীর সম্পত্তিটি জোরে দখলে রাখার ইচ্চা থাকতে হবে। ৪) জবরদখল প্রকৃত মালিকের জ্ঞাত সারে হতে হবে। ৫) আইনসম্মতবাবে প্রথম দখল আরম্ব হলে , পরে জবরদখরদাবী উত্থাপন করা যাবে না। ৬) বাদীর স্বত্ব অঙ্গীকারে জবরদখরকারীকে নিজেরদাবীতে জমিতে দখরদার তাকতে হবে। ৬। জবর দখলের ক্ষেত্রে সময় লাগে কতদিন: যখন কোন বিবাদীর দখল বাদীর প্রতিকুল হয় তখনই উহা জবর দখর হয। ১২ বৎসর এর বেশী সময় ধরে অপর এর সম্পত্তি জোরপূবৃক দখলে রাখলে এবং উক্ত দখলের মধ্যে দখল পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি প্রকৃত মালিক আদালতে শরণাপন্ন না হলে ঐ সম্পত্তির উপরে জবরদখরকারীর স্বত্ব অর্জিত হয়। তাই বলা যায় যে, ১২ বৎসর সমযকালই জবরদখলের সময হিসাবে গণনা করা হয়। যা ১৯০৮ সালের তামাদি আইনে ২৮ ধারায় বর্ণনা করা হয়েছে।কখন জবর দখলকারীর সম্পত্তিতে স্বত্ব অর্জিত হয়:

9522 views