7 Answers

আপনি বেশি বেশি করে গণিত অনুশীলন করেন তাহলে ভালো করতে পারবেন। একই নিয়মের কিছু গণিত আছে সেগুলো নিয়মভিত্তিক ভালো করে করতে হবে। আর আপনাকে সুত্র ও সুত্রের প্রয়োগ জানতে হবে, তাহলেই গণিত ভালো করতে পারবেন।

8603 views Answered

আপনি বেশি বেশি করে গণিত অনুশীলন করেন তাহলে ভালো করতে পারবেন। একই নিয়মের কিছু গণিত আছে সেগুলো নিয়মভিত্তিক ভালো করে করতে হবে। আর আপনাকে সুত্র ও সুত্রের প্রয়োগ জানতে হবে, তাহলেই গণিত ভালো করতে পারবেন।

8603 views Answered

আমিতো বলবো সবার আগে সকল সুত্র মুখাস্ত করতে। তারপর ১ দিনে আর না হলেও ৩ বা ৩.৫ ঘণ্টা আনুশীলন।

8603 views Answered

বেশি করে অনুশীলন করুন এবং বিভিন্ন বই ঘাটুন।

8603 views Answered

আপনাকে গণিতের সূত্রগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করেত হবে।ক্লাসে শিক্ষকের কথা মনোযোগ সহকারে শুনতে হবে এবং না বুঝলে প্রশ্ন করতে হবে।  গণিতে ভালো করার অন্যতম উপায় হল অনুশীলন। প্রতিদিন আপনাকে গণিত অনুশীলন করতে হবে। তবেই আপনার করা অংকগুলো মনে থাকবে। এভাবে আপনি গণিতে ভালো করতে পারেন।

8603 views Answered

০১. গণিতে ভালো করতে হলে প্রস্তুতি নিতে হবে ছোটবেলা থেকে। ছোটবেলায় নামতা ভালো মুখস্ত করা দরকার। ০২. কোন অঙ্ক বা জ্যামিতি না বুঝলে সেটা বাদ দিয়ে পরের অধ্যায়ে যাওয়া ঠিক নয়। যখন যেটা বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে সেটা শিক্ষকের সাহায্য নিয়ে ভালো করে বোঝা উচিৎ। গণিত কখনো মুখস্থ করার নয়। এই অভ্যাস থাকলে দ্রুত ত্যাগ করুন এবং চেষ্টা করুন বুঝে অঙ্কের সমাধান আনতে। ০৩. একদিনে বইয়ের সব অঙ্ক শেষ করে ফেলার টার্গেট না নেওয়াটাই ভালো। বরং কোনো নির্দিষ্ট ধরনের অধ্যায়ের উপর পারদর্শী হওয়া ভালো। তাতে ভবিষ্যতে ভুল হওয়ার আশঙ্কা কম থাকবে। অযথা ক্যালকুলেটার না ব্যবহার করে হাতে কলমে তা সমাধান করার চেষ্টা করতে হবে। এতে পারদর্শীতা বাড়বে। এবং একটি অধ্যায় শেষ হওয়ার পর বন্ধুদের সঙ্গে সেই অধ্যায়ের অঙ্ক নিয়ে আলোচনা করা খুব কাজে দেয়।

8603 views Answered

গনিতে ভালো করতে চাই আত্মবিশ্বাস। আর আত্মবিশ্বাস অর্জন করতে গণিতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অবশ্যই প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। উচ্চতর গণিত পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য কিছু সাধারণ নিয়ম বা টিপস অনুসরণ করা দরকার। যেমন—  ♦ সব অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ সূত্রগুলো আলাদা আলাদা কাগজে লিখে কয়েকবার করে পড়ে ও লিখে অনুশীলন করবে। সৃজনশীল গণিতে ভালো করার জন্য বেশি বেশি সূত্রের অনুশীলনের কোনো বিকল্প নেই। কারণ গণিতে সৃজনশীল প্রশ্ন তৈরির জন্য শিক্ষকদের কাছে রয়েছে বহু রকমের পয়েন্ট। সেসব পয়েন্ট থেকে একেবারেই ভিন্ন আঙ্গিকে প্রশ্ন করতে পারেন শিক্ষকরা। ফলে এসব ভিন্ন আঙ্গিকের প্রশ্নগুলো খুব সহজে সমাধান করতে গণিতের সব প্রয়োজনীয় সূত্রের অনুশীলন জরুরি।  ♦ প্রত্যেক অধ্যায়ের মৌলিক বিষয়গুলো খুব ভালোভাবে আয়ত্তে রাখা জরুরি। কারণ মৌলিক বিষয়গুলো জানা না থাকলে সৃজনশীল গণিতে ভালো করা কঠিন। তাই পাঠ্য বইয়ের প্রত্যেকটি অধ্যায়ের শুরুতে থাকা অধ্যায় সম্পর্কিত মৌলিক গণিতে বিষয়গুলো আগেই বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করবে। কারণ এসব মৌলিক বিষয় থেকে জ্ঞানমূলক, বহু নির্বাচনী, এমনকি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন আসতে পারে। যেমন—বিভিন্ন ধরনের ম্যাট্রিক্সের গঠন ও সংজ্ঞা, ম্যাট্রিক্স ও নির্ণায়কের মধ্যে পার্থক্য, সরলরেখার ঢাল, সরলরেখা ও বক্ররেখা (বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত, অধিবৃত্ত) এর মধ্যে পার্থক্য, সরলরেখা ও বৃত্তের মধ্যে সম্পর্ক, বৃত্তের বৈশিষ্ট্য, বৃত্তের সমীকরণ, বিন্যাস ও সমাবেশের মধ্যে পার্থক্য, বিন্যাস বা সমাবেশের প্রয়োগ, বিভিন্ন প্রকার ফাংশনের সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য, ডোমেইন ও রেঞ্জের সংজ্ঞা ও এদের মধ্যে পার্থক্য, অন্তরীকরণ ও যোগজীকরণের প্রয়োগ ও এদের মধ্যে পার্থক্য ইত্যাদি। এসব মৌলিক বিষয় জানা থাকলে অন্যান্য সৃজনশীল প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।  ♦ যেসব অধ্যায়ে একই বিষয়ের একাধিক সমীকরণ রয়েছে, সে ক্ষেত্রে একাধিক সমীকরণের মধ্যে সম্পর্ক কী তা সহজে বোঝা জরুরি। যেমন— বৃত্তের সমীকরণ হতে পারে দুই প্রকার : এই দুই প্রকার সমীকরণের মধ্যে সম্পর্ক জানা দরকার।

8603 views Answered

Next steps