2 Answers
শ্বেতী রোগের কারণঃ শ্বেতী কোনো ভয়ের রোগ নয়। শ্বেতীরোগের কারণ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। বংশগত প্রভাবে কারো কারো এই রোগ দেখা যায়। এছাড়াও বর্তমানে বাজারে প্রসাধনী সামগ্রী হিসেবে কতগুলো ক্যামিক্যাল বা সিন্থেটিক জিনিস পাওয়া যায়। এগুলোর ব্যবহার বা স্পর্শ থেকে এলার্জিক প্রতিক্রিয়া ঘটে অনেকের শ্বেতী হয় বলে দেখা গেছে । চশমার আঁটসাঁট ফ্রেম থেকে নাকের দু'পাশে বা কানের কাছে সাদা হতে দেখা যায় । কপালে পড়ার সিন্থেটিক টিপ থেকে শ্বেতীর শুরু হতে দেখা যায়। এ ছাড়া দীর্ঘ দিন ধরে প্লাস্টিক বা রাবারের জুতা, ঘড়ির বেল্ট প্রভৃতি ব্যবহার থেকে, কারও কারও কব্জিতে বা পায়ে শ্বেতীর চিহ্ন বা অন্যান্য স্কিন ডিজিজ দেখা যায়। চিকিৎসা চিকিৎসকদের মতে অধিকাংশ সময়েই শ্বেতী রোগ ভাল হয়ে যায়। সাধারণ ভাবে ৫০ থেকে ৭৫ শতাংশ রোগীর শ্বেতী চিকিৎসার মাধ্যমে ভাল হয়ে উঠে। শ্বেতীর চিকিৎসায় সেরে উঠার জন্য রোগীকে একটু বেশী সময় ধরে অপেক্ষা করতে হয়। শ্বেতী চিকিৎসার জন্য যে সব অষুধ ব্যবহার করা হয় তা বাংলাদেশে পাওয়া যায় । এ ছাড়া অষুধ বা অতি বেগুণী রশ্মি প্রয়োগ করে শ্বেতীর চিকিৎসা ব্যর্থ হওয়ার পর সার্জারির আশ্রয় নেয়া যেতে পারে । দেহের ভাল অংশের ত্বক কেটে এনে বসানো হয় রোগীর শ্বেতী আক্রান্ত অংশে বসিয়ে দিলে এ রোগ থেকে মুক্ত হওয়া যায়। তবে যাদের শরীরের প্রায় ৮০ ভাগ শ্বেতী রয়েছে তদের শরীরে এক ধরনের রাসায়নিক ব্যবহারের মাধ্যমে অন্য অংশকেও শ্বেতীর মত সাদা করে দেওয়া যায়। তবে শ্বেতীরোগে আক্রন্তরা হোমিও প্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন। আমি ব্যক্তিগত ভাবে অনেক শ্বেতী রোগীর সাথে যোগাযোগ করেছি তাদের মতে এ রোগের জন্য হোমিও প্যাথিক চিকিৎসা খুব কার্যকরী।
শ্বেতী রোগের লক্ষণ কোন পর্যায়ে গেলে ডাক্তার দেখাবেন ??? ত্বক, চুল এবং চোখ ফ্যাকাসে হওয়ার সাথে সাথে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। শ্বেতী রোগের কোথায় চিকিৎসা করাবেন ??? 1. উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স 2. জেলা সদর হাসপাতাল 3. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় 4. মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল 5. বেসরকারী হাসপাতাল শ্বেতী রোগের কি ধরণের পরীক্ষা- নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে ??? 1. রোগের ইতিহাস 2. বংশের রোগের ইতিহাস 3. ত্বকের বায়োপসি (Skin Biopsy) 4. রক্তের পরীক্ষা 5. চোখের পরীক্ষা শ্বেতী রোগের কি ধরণের চিকিৎসা আছে ??? শ্বেতী রোগের চিকিৎসা ৬-১৮ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ডাক্তার নিচের ব্যবস্থাগুলো গ্রহণের জন্য বলতে পারেন : 1. ঔষধ ব্যবহার করা (Topical) 2. মুখে ঔষধ খাওয়া 3. শল্য চিকিৎসা শ্বেতী রোগের বাড়তি সতর্কতা 1. নিজের প্রতি যত্ন নিতে হবে 2. সূর্যের আলো প্রতিরোধ করে এমন মলম (ক্রিম) ব্যবহার করতে হবে 3. যাদের গায়ের রঙ ফর্সা তারা গা তামাটে রঙ করা (Tanning) থেকে বিরত থাকতে হবে
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy