2 Answers
সৃষ্টির জন্যই যাদের জন্ম তারা অবিনশ্বর। তাইতো, মৃত্যুর মধ্য দিয়ে হুমায়ূন আহমেদ তৈরি করে গেছেন তার বড় সৃষ্টি। ২০১২ এর ১৩ নভেম্বর নিউইর্য়কে দূরারোগ্য ক্যান্সারের কাছে হার মেনেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। তবে বাস্তবের হিমুদের একত্র হবার গল্প শুরু তার এক বছরের মাথায়। লেখকের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য নুহাশ পল্লীতে যাবার আগ্রহের কথা জানিয়েছিলেন আসলাম, জুবায়েরসহ বেশ কয়েকজন হিমু। মুহূর্তেই পেয়ে যান অন্যান্য হিমুদের আগ্রহের প্রকাশ। ফলে, কয়েকশ হিমুর একযোগে নুহাশ পল্লী যাত্রা। সেই থেকে শুরু একসঙ্গে পথচলা। সিদ্ধান্ত হয় এই যাত্রাকে সমুন্নত রাখতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পেজ খোলার। সেই লক্ষ্যে ১৯ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় হিমুদের 'হিমু পরিবহন'।
হিমু পরিবহণ নন্দিত কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ভক্তদের সংগঠন৷ বাংলাদেশে একটি আন্তর্জাতিক মানের ক্যান্সার হাসপাতাল গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে হিমু পরিবহণ ৷ এছাড়া শীতবস্ত্র বিতরণ, রক্তদান, ক্যান্সার রোগীদের সহয়তা ও পুনর্বাসন সহ বিভিন্ন সামাজিক কাজ করছে হিমু পরিবহণ ৷ ২০১৩ সালের ১৯ জুলাই হিমু পরিবহণ তাদের কার্যক্রম শুরু করে ৷ বর্তমানে দেশের ৬৪ টি জেলা এবং বিভিন্ন দেশের ১০ টিরও বেশি শহরে হিমু পরিবহন তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে