1 Answers
সব শর্করাজাতীয় খাদ্যেও গুনাগুন এক নয় এবং রক্তের উপর এর প্রভাবও ্ওক নয়। গ্লাইসোমিক সূচক ব্যবস্থা শর্করাজাতীয় খাদ্য কত দ্রুততার সাথে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়ায় তা ব্যাখ্যা করে। গ্লাইসোমিক সূচক ব্যবহার করার সময় যেসকল বিষয় বিবেচনায় রাখতে হয় ঃ নিম্ন গ্লাইসোমিক সূচক সম্পন্ন খাদ্য উচ্চ গ্লাইসোমিক সূচক সম্পন্ন খাদ্যের চেয়ে স্বাস্থ্যসম্মত ন্ওা হতে পারে। অনেক পুষ্টিকর খাদ্য উচ্চ গ্লাইসোমিক সূচক সম্পন্ন হলেও তাতে পুষ্টির মান কম। তাই গ্লাইসোমিক স্কোর হিসাবের পরিবর্তে খাদ্যে সামগ্রিক পুষ্টির মান বিবেচনায় রাখতে হবে।ৎ গ্লাইসোমিক সূচকের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি খাদ্যে কি পরিমান শর্করা আছে তা পরিমাপ করে না। গ্লাইসোমিক সূচকযুক্ত খাদ্যেও বিভিন্ন অংশের সঠিক পরিমান নির্ধারণের মাধ্যমে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে এবং ওজনও হ্রাস পায়। গ্লাইসোমিক সূচক খাবারের সাথে যদি অন্যধরণের খাদ্যযুক্ত হয় তাহলে এর মান পরিবর্তিত হয় । বিভিন্ন কারনে শর্করা জাতীয় খাদ্য রক্তের গ্লুকোজ মাত্রায় প্রভাব ফেলে। এর পিছনে রয়েছে বিভিন্ন কারণ । যেমনঃ খাদ্যেও ধরণ, রান্নার প্রক্রিয়া, রান্নার সময় এবং খাদ্যে আঁশ জাতীয় উপাদান কি পরিমান রয়েছে এবং একই সাথে কি ধরণের খাদ্য কি পরিমানে গ্রহণ করা হচ্ছে তার উপর অনেকাংশে নির্ভও করে। গ্লাইসোমিক সূচককে ১ থেকে ১০০ এর মধ্যে পরিমাপ করা হয়। শর্করা জাতীয় খাদ্যকে ৩টি ভাগ ভাগ করা যায়। উচ্চঃ উচ্চ গ্লাইসোমিক সূচক সম্পন্ন খাদ্য রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা দ্রুত বাড়াতে সাহায্য করে যার গ্লাইসোমিক মান হচ্ছেঃ ৫৫ এবং ৬৯ এর মধ্যে । অন্তবর্তী : অন্তবর্তী গ্লাইসোমিক সূচক যুক্ত খাদ্য রক্তে গ্লুকোজ মাঝারি মাত্রায় বৃদ্ধি করে যার গ্লাইসোমিক মান হচ্ছেঃ ৫৪ অথবা তার কম। নিম্ন ঃ এধরণের গ্লাইসোমিক সূচক যুক্ত খাদ্য রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করে যার গ্লাইসোমিক মান হচ্ছেঃ ৫৪ অথবা তার কম।