5 Answers
প্রকৃতপক্ষে নদ ও নদীর সঙ্গে শাখা থাকা না থাকার কোনো সম্পর্ক নেই। এই দুয়ের মাঝে যা পার্থক্য আছে তা হলো ব্যাকরণগত। বাংলা, হিন্দি ও ফারসি ইত্যাদি ভাষার ক্ষেত্রে, পুরুষবাচক শব্দ সাধারণত অ-কারান্ত এবং নারীবাচক শব্দ আ-কারান্ত বা ই, ঈ-কারান্ত হয়। যেমন; পদ্মজ (অ-কারান্ত), পদ্মজা (আ-কারান্ত, নামের শেষে আ আছে), রজক (অ-কারান্ত), রজকী (ঈ-কারান্ত, নামের শেষে ঈ আছে)। তাই যে সকল নদীর নাম পুরুষবাচক অর্থাৎ অ-কারান্ত তারা নদ আর যে সকল নদীর নাম নারীবাচক অর্থাৎ আ-কারান্তবা ঈ, ই-কারান্ত তারা নদী। এই কারণে আড়িয়াল খাঁ, এটি পুরুষ নাম জ্ঞাপক হলেও যেহেতু শেষে আকার রয়েছে সে জন্য এটি নদ না হয়ে নদী। আবার নীল স্ত্রী নাম জ্ঞাপক একটি প্রবাহ। যেহেতু এর শেষে আকার, একার কিছু নেই, সেই সূত্রে এটি নদ। তার মানে আমাদের বাসার কাছের নাকাও কিন্তু নদী। আশা করি নদ ও নদীর মূলোৎপাটন করতে পারলাম।
নদ ও নদীর পার্থক্য মূলত বাংলা পুরুষবাচক আর স্ত্রীবাচক নামের কারণে। বাংলাদেশের এমন পুরুষবাচক নামের নদীগুলো (যেগুলোকে "নদ" বলা হয়) হলো: ১. ব্রহ্মপুত্র নদ ২. আড়িয়াল খাঁ (খান এর সংক্ষিত রূপ খাঁ। তাই আ-কারান্ত স্ত্রীবাচকতা নির্দেশ করা সঠিক নয়।) ৩. কপোতাক্ষ নদ ৪. তুরাগ নদ।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy