2 Answers
IMEI এর পূর্ণরূপ হচ্ছে International Mobile Eqiupment Identity. এটা ১৫ ডিজিটের একটা ট্র্যাকিং নাম্বার যার সাহাযে কোনো হারিয়ে যাওয়া ফোন উদ্ধার করা যায়। অনেকে মনে করে থাকেন শুধু ফোনেই এই নাম্বার থাকে।আসলে এই ধারনাটা ভুল।যেসব ডিভাইসের সাথে মডেম সংযুক্ত থাকে এ্রবং আন্তযোগাযোগ করা যায় সেসব ক্ষেত্রেই এই IMEI নাম্বার থাকে। সাধারণত এই নাম্বারটি কোনো মোবাইল ফোনের বক্সে কিংবা মোবাইলে কী প্যাডে *#06# চাপলে পাওয়া যায়।
আইএমইআই (IMEI) এর পূর্নরূপ হলো International Mobile Equipment Identity। এই IMEI প্রতিটি মোবাইল ডিভাইসের জন্য একটি সংখ্যাসূচক পরিচয় বা সংখ্যাসূচক আইডিন্টিটি। আর এই কারনে প্রতিটি আইএমইআই নম্বরই অনন্য তথা একটি আরেকটির থেকে ভিন্ন।
২০০৪ সাল থেকে আইএমইআই (IMEI) নাম্বার AA-BBBBBB-CCCCCC-D ফরম্যাটে বিন্যাস্থ হয়ে আসছে। আর এখানে A এবং B সেকশনকে বলা হয়ে থাকে Type Allocation Code বা TAC। আর IMEI নম্বরের এই TAC অংশ থেকে ফোনটির ম্যানুফ্যাকচারার বা তৈরিকারক এবং ফোনটির মডেল নম্বর সম্পর্কে জানা যায়। যেমনঃ স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৭ এর TAC কোড হল 32-930400, গুগল নেক্সাস ৪ বা এলজি E960 এর TAC কোড হল 35-391805 ইত্যাদি। অর্থাত ১৫ ডিজিট বা ১৬ ডিজিটের সম্পূর্ণ আইএমইআই নম্বরে এই TAC হয়ে থাকে ৮ ডিজিটের, এই ৮ ডিজিট এর ভেতর ২ টি ডিজিট আবারও ভেরিভাই এর জন্য, তাই মূল TAC হয়ে থাকে ৬ ডিজিটের ।
গাড়িঘোরার জন্য একটি নম্বর থাকে যাকে বলা হয়, Vehicle Identification Number বা VIN ; আর মোবাইল ফোনের ক্ষেত্রে ঠিক একই IMEI। এই নম্বরটি আপনার প্রিয় মোবাইল ফোনের জন্মসনদ। আবার আপনার সীম নম্বরের সাথে এর তুলনা করবেন না, কেননা IMEI নাম্বার সাধারনত পরিবর্তন যোগ্য নয়। IMEI পরিবর্তন বা ক্লোন নিয়ে পরবর্তীতে কোনো আর্টিকেল প্রকাশ করব। আশা করি আর্টিকেলটি আপনার ভালো লেগেছে। নিচে আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না।