মহাকর্ষের বিপরীত ক্রিয়া আছে কি?
আমরা জানি, প্রত্যেক বলের একটি বিপরীত্মুখী ও সমান প্রতিক্রিয়া আছে।
কিন্তু মহাকর্ষ বলের বিপরীত্মুখী বল কি আছে? কেন আমরা মহাকর্ষ বলের সমান বল বিপরীত মুখী প্রয়োগ করে মহাকাশে ছিটকে পড়ি না?
5 Answers
না । এর কোন বিপরীত প্রতিক্রিয়া নেই ।কারন সূর্য ও পৃথিবীর আকর্ষণকে মহাকর্ষ বলে । সূর্য পৃথিবীর উপর কোন বল প্রয়োগ বা আঘাত করে না ।আর তাই এর বিপরীক প্রতিক্রিয়া নেই ।
মহাকর্ষ মানেই দুটি বস্তুর পরস্পরের প্রতি আকর্ষন শক্তি এক্ষেত্রে এর সাথে কোনো বিপরীত মুখী ক্রিয়া বা বিকর্ষন সম্পর্কিত নেই।
মহাকর্ষের কোনো বিপরীত শক্তি নেই।যদি থাকত তবে সূর্য , পৃথিবীকে চাপ প্রয়োগ করত।তাই মহাকর্ষের বিপরীত শক্তি নেই।
আমার মনে হয় আছে, পৃথিবী সূর্যের চারপাশে বৃত্তাকার পথে ঘুরছে । এ ঘূর্ণনের ফলে পৃথিবী ও সূর্যের মাঝে বিকর্ষণ বলের উদ্ভব হয়, অর্থাৎ পৃথিবী দূরে ছিটকে যেতে চায় । এ ধর্ম মহাকর্ষের বিপরীত । পৃথিবী এখন এমন অবস্থানে আছে যেখানে এই আকর্ষণ ও বিকর্ষণ বলের মান সমান । তাই পৃথিবী সূর্য থেকে দূরে ছিটকে পড়ছে না । দুরত্ত বাড়লে আকর্ষণ কমে তথা বিকর্ষণ বাড়ে এবং এক সময় মহাকর্ষের সীমানার বাইরে চলে গেলে সেখানে কোন আকর্ষণ বল কাজ করে না । তবে আমার এটাও মনে হয় যে, স্থির বস্তুর মধ্যবর্তী আকর্ষণ ও বিকর্ষণ বল সমান হওয়ায় তারা পরস্পর বাদ হয়ে যায় এবং তাই স্থির বস্তুর বাহ্যিক কোন আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল নেই । আর তাই পৃথিবীর আকর্ষণে সকল বস্তু পৃথিবীর অভিকর্ষ সীমানায় এসে ভূপৃষ্ঠে আটকে যায় ।কারণ তাদের কোন বল নেই, যদিও পৃথিবীর অভিকর্ষ বল আছে । এ বৈশিষ্ট্যগুলোর পিছনে অবশ্যই কোন বল কাজ করে । সেটাকে আমরা অভিকর্ষের বিপরীত বল বলতে পারি । আর এ থেকে আপনার প্রশ্নের উত্তর হল আপনার যথেষ্ট বেগ নেই । তাই আপনি এমন বল তৈরি করতে পারেন না যা দ্বারা আপনি অভিকর্ষ বল উপেক্ষা করে ছিটকে যাবেন । যদি আপনার রকেটের মত গতি বা বেগ থাকত তবে আপনি পৃথিবী থেকে ছিটকে, যেতেন । আর ক্রিত্তিম উপগ্রহ বা চাদের মত বৃত্তাকার পথে পৃথিবীর চারপাশে ঘুরতে থাকতেন ,তথা ছিটকেও যেতেন না আবার নিকতে যেতেন না ।