2 Answers

Na+ এবং Al3+ উভয়ের ই দুইটা শক্তিস্তর আছে।

তাই এই দুইটার ব্যাসার্ধ কম।

Cl- এবং S2- উভয়ের তিনটা শক্তিস্তর আছে।

কিন্তু Cl এর প্রোটন বেশি থাকায় তা বহিস্থ ইলেকট্রন কে বেশি বলে আকর্ষন করবে, তাই Cl- এর ব্যাসার্ধ S2- এর চেয়ে কম হবে।

সুতরাং উত্তর d.

4173 views Answered

তৃতীয় অপশনে ভুল আছে, অ্যালুমিনিয়ামের অক্সিডেশন স্টেট -৩ হতে পারেনা, এখানে Al3+ হওয়া উচিত।


সোডিয়ামে ইলেকট্রন ও প্রোটন সংখ্যা ১১ টি করে। অর্থাৎ ১১ টি প্রোটন ১১ টি ইলেকট্রনকে কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করছে। 

১ টি ইলেকট্রন কমে সোডিয়াম আয়নে ইলেকট্রন সংখ্যা দাঁড়ায় ১০। 

পূর্বে ১১ টি প্রোটন ১১ টি ইলেকট্রনকে যতটা জোর দিয়ে কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করতে পারতো এখন ১০ টি ইলেকট্রনকে তার চেয়ে তুলনামূলক বেশি জোর দিয়ে আকর্ষণ করতে পারবে। ফলে পরমাণুর আকার (ব্যাসার্ধ) আরও সংকুচিত হয়ে যাবে।


অন্যদিকে সোডিয়ামে ১৬ টি প্রোটন ১৬ টি ইলেকট্রনকে যতটা শক্তি দিয়ে কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করছে, আয়নিত অবস্থায় ১৮ টি ইলেকট্রনকে ততটা শক্তি দিয়ে আকর্ষণ করতে পারবেনা। এর ফলে ইলেকট্রনের কেন্দ্রমুখী আকর্ষণ হ্রাস পাবে এবং পরমাণুর আকার তথা ব্যাসার্ধ বৃদ্ধি পাবে।


একই পর্যায়ের মৌলসমূহে যত বেশি ইলেকট্রন বিযুক্ত হবে পরমাণু তত সংকুচিত হবে এবং যত বেশি ইলেকট্রন যুক্ত হবে পরমাণু তত বিস্তৃত হবে।

এই শর্তানুযায়ী উল্লিখিত আয়ন সমূহের আয়নিক ব্যাসার্ধের ধারাক্রম- 

Al3+ (53.5 pm) < Na+ (102 pm) < Cl- (181 pm) < S2- (184 pm)

[pm = পিকোমিটার]

এমনিতে শক্তিস্তর হিসেব করলেও বিষয়টি সহজে বোঝা যায়, কিন্তু সকলক্ষেত্রে শক্তিস্তর ফ্যাক্টর নাও হতে পারে।

4173 views Answered

Related Questions

Next steps