গর্ভকালীন ডায়াবেটিস (Gestational Diabetes Mellitus)
🩺 গর্ভকালীন ডায়াবেটিস (Gestational Diabetes Mellitus)
গর্ভাবস্থায় হরমোনগত পরিবর্তনের কারণে শরীরে ইনসুলিনের কার্যকারিতা হ্রাস পেতে পারে, যার ফলে কিছু নারীর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। এ অবস্থাকেই বলা হয় গর্ভকালীন ডায়াবেটিস। সাধারণত এটি গর্ভাবস্থার দ্বিতীয় বা তৃতীয় ত্রৈমাসিকে নির্ণীত হয়।
🔹 স্বাস্থ্যঝুঁকি:
গর্ভকালীন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকলে—
#নবজাতকের জন্মের সময় অতিরিক্ত ওজন (Macrosomia)
#প্রি-টার্ম জন্মের সম্ভাবনা
#সিজারিয়ান ডেলিভারির প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি
#মা ও শিশুর ভবিষ্যতে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।
🔹 ঝুঁকির কারণসমূহ:
#গর্ভধারণের পূর্বে অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা
#পরিবারের কারও ডায়াবেটিসের ইতিহাস থাকা
#আগের গর্ভে বড় শিশুর জন্ম
#বয়স ২৫ বছরের বেশি
🔹 পরিচর্যা ও ব্যবস্থাপনা:
#নিয়মিত ব্লাড গ্লুকোজ মনিটরিং
#সুষম ও পরিমিত খাদ্যাভ্যাস (ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শে)
#নিয়মিত হালকা শারীরিক অনুশীলন
#প্রয়োজনে ইনসুলিন থেরাপি (চিকিৎসকের পরামর্শে)
💡 সঠিক চিকিৎসা ও নিয়মিত ফলো-আপের মাধ্যমে গর্ভকালীন ডায়াবেটিস সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব, যা মা ও নবজাতক উভয়ের সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
1 views