1 Answers

Sylhet is called 'the land of 360 auliyas'.

6 views

Related Questions

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার তিন বছর ধরে ৭ শতাংশের ওপরে যা নিয়ে দেশের নীতিনির্ধারকসহ বিভিন্ন মহল স্বাভাবিকভাবেই বেশ উচ্ছ্বসিত। এই উচ্ছ্বাসে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে এইচএসবিসি গ্লোবাল রিসার্চের হালনাগাদ একটি প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদন অনুসারে ২০৩০ সালে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ২৬তম অর্থনীতির দেশ, এখন যে অবস্থানে আছে অস্ট্রিয়া । কিন্তু জিডিপি প্রবৃদ্ধির উচ্চ হারই শেষ কথা নয়, নয় একমাত্র অভীষ্ট। এটি অর্থনীতির আকার বা পরিমাণ নির্দেশ করে মাত্র। বরং নীতিনির্ধারক মহলের কাছে টেকসই প্রবৃদ্ধি ও প্রবৃদ্ধির গুণগত দিকটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শুধু উচ্চ হারে প্রবৃদ্ধি বিশ্বের বহু দেশেই গরিবি যথেষ্ট কমাতে পারেনি, পারেনি সমাজে আয়বৈষম্য কমাতে, বরং তা বাড়িয়েছে। আসলে গরিবি কমা বা আগের তুলনায় বেশি মানুষের উন্নততর জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টি হওয়া নির্ভর করে প্রবৃদ্ধির বণ্টনের ওপর। বাংলাদেশের উচ্চ প্রবৃদ্ধি এখনো সম্পদের সুসম বা ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করতে পারেনি, তা বিভিন্নভাবে সমাজে প্রতিফলিত হয়। (Translate into English)
1 Answers 6 Views
চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ৪১৬ কোটি ৮০ লাখ ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। এটি গত বছরের একই সময়ে রপ্তানি হওয়া ৩৯০ কোটি ৮১ লাখ ডলারের চেয়ে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ বেশি। শুধু প্রবৃদ্ধি নয়, যুক্তরাষ্ট্রে বাজার হিসাবেও এগিয়েছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলছে বাণিজ্যযুদ্ধ। বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে চীনে পোশাক উৎপাদনের খরচ বাড়তে পারে এবং মার্কিন ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানের অনেক ক্রয়াদেশ বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, কম্বেডিয়া ও ভারতে যাবে। ইতিমধ্যে নতুন নতুন ক্রেতারা আমাদের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলা শুরু করেছেন। পুরোনো ক্রেতারা ক্রয়াদেশ বাড়চ্ছেন। ভিয়েতনামের চেয়ে রপ্তানিতে বেশ পিছিয়ে থাকলেও প্রবৃদ্ধিতে অনেকটা কাছাকাছি চলে এসেছে তৃতীয় শীর্ষ রপ্তানিকারকে দেশ বাংলাদেশ। সামনের মাসগুলোতে রপ্তানি পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে বলে প্রত্যাশাও করছেন তৈরি পোশাকশিল্প মালিকেরা। (Translate into English)
1 Answers 5 Views
বাংলাদেশ অমিত সম্ভাবনার দেশ। গত বিশ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির হার ৪.৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৭.৮ শতাংশের অধিক হয়েছে। একই সময়ে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ২.০ শতাংশ থেকে হ্রাস পেয়ে ১.২৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। দুটো উপাদান বাংলাদেশের অর্থনীতির দ্রুত প্রবৃদ্ধি ও ব্যাপক দারিদ্রা হ্রাসের পেছনে প্রধান চালিকাশক্তির কাজ করেছে। একটি হলো রপ্তানি আয়ের অব্যাহত প্রবৃদ্ধি; আরেকটি হলো প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়ের ব্যাপক প্রবাহ। উল্লেখ্য বাংলাদেশ গত দশ বছরে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিটেন্স পেয়েছে। বিশ্বের নীতিনির্ধারকগণ বাংলাদেশকে তাই দ্রুততর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দেশের সারিতে বিবেচনা করেন। (Translate into English)
1 Answers 4 Views