1 Answers

বাংলাদেশের পণ্যের মান নিশ্চিত করার জন্য বিএসটিআই থেকে বাধ্যতামূলকভাবে সনদপত্র সংগ্রহ করতে হয়।
বিএসটিআই বাধ্যতামূলক সনদপত্রের আওতায় পণ্যের তালিকা সংরক্ষণ করে। কিন্তু নির্ধারিত মান অনুযায়ী পণ্য উৎপাদন না করলে প্রতিষ্ঠানটির বিএসটিআই-এর দেওয়া সার্টিফিকেট বা লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল করা হয়। তাই পণ্যের মান নিশ্চিত করার জন্য এ সনদ প্রয়োজন হয়।

4 views

Related Questions

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার তিন বছর ধরে ৭ শতাংশের ওপরে যা নিয়ে দেশের নীতিনির্ধারকসহ বিভিন্ন মহল স্বাভাবিকভাবেই বেশ উচ্ছ্বসিত। এই উচ্ছ্বাসে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে এইচএসবিসি গ্লোবাল রিসার্চের হালনাগাদ একটি প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদন অনুসারে ২০৩০ সালে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ২৬তম অর্থনীতির দেশ, এখন যে অবস্থানে আছে অস্ট্রিয়া । কিন্তু জিডিপি প্রবৃদ্ধির উচ্চ হারই শেষ কথা নয়, নয় একমাত্র অভীষ্ট। এটি অর্থনীতির আকার বা পরিমাণ নির্দেশ করে মাত্র। বরং নীতিনির্ধারক মহলের কাছে টেকসই প্রবৃদ্ধি ও প্রবৃদ্ধির গুণগত দিকটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শুধু উচ্চ হারে প্রবৃদ্ধি বিশ্বের বহু দেশেই গরিবি যথেষ্ট কমাতে পারেনি, পারেনি সমাজে আয়বৈষম্য কমাতে, বরং তা বাড়িয়েছে। আসলে গরিবি কমা বা আগের তুলনায় বেশি মানুষের উন্নততর জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টি হওয়া নির্ভর করে প্রবৃদ্ধির বণ্টনের ওপর। বাংলাদেশের উচ্চ প্রবৃদ্ধি এখনো সম্পদের সুসম বা ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করতে পারেনি, তা বিভিন্নভাবে সমাজে প্রতিফলিত হয়। (Translate into English)
1 Answers 6 Views
মানবাধিকার হচ্ছে সেসব অধিকার যা জাতীয়তা, লিঙ্গ, বর্ণ, ধর্ম, ভাষা অথবা অন্য যে কোন অবস্থান নির্বিশেষে মানুষের নিকট অন্তর্নিহিত। বস্তুতঃ মানবাধিকার বলতে কিছু নৈতিক রীতিনীতি বা নিয়ম যা মানব আচরণের নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ডগ্র বোঝায়। আন্তর্জাতিক আইনে মানবাধিকারকে আইনগত অধিকার হিসেবে রক্ষা করা হয়। এই পৃথিবীতে প্রতিটি অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এই অধিকারগুলোকে মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে গণ্য করা হয়। আমাদের দেশের বহু মানুষ মৌলিক মানবাধিকারসমূহ থেকে বঞ্চিত। আমাদের দরিদ্র শিশুরা বলেন স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। অনেক পথশিশু রয়েছে যারা আশ্রয়হীন। এইসব ছোটছোট বাচ্চাদেরকে বেঁচে থাকার জন্য অর্থ উপার্জন করতে হয়। এ ধরনের পরিস্থিতি শিশুশ্রম বৃদ্ধি করে। (Translation: Bangla to English)
1 Answers 6 Views
আমরাজানি, কোভিত-১৯ মহামারির সময়েতথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক লেনদেন আমাদের সহযোদ্ধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবেসাধারণ মানুষ যথেষ্ট প্রযুক্তিবান্ধব না হওয়ার কারণেপ্রাথমিক পর্যায়ে অসুবিধা হয়েছে অনেকের। এ সময় প্রযুক্তিরসঙ্গে পরিচিত হতে বাধ্য হয়েছিআমরা। অনেক নারী পুরুষএখন তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক লেনদেন করছেন। এ পরিবর্তনের সুফলপেতে শুরু করেছে দেশেরব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।ব্যাপকহারে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে ব্যাংকব্যাবসা ভাল হবে। তবেতার জন্য দরকার প্রয়োজনীয়ও সঠিক অবকাঠামো এবংদক্ষ জনবল। আর এ বিষয়টিনিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন সঠিক নেতৃত্ব। আমরা যদি এখনতথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে না পারি, তাহলে বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ায় টিকে থাকা কঠিন হবে। তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক রূপান্তরের সুবিধা পাবে দেশের সাধারনমানুষ। (Translation [Bangla to English])
1 Answers 6 Views