1 Answers
যে শব্দশ্রেণি অন্য শব্দের অর্থকে বিশদ বা সীমিত করে শব্দটিকে বিশেষিত করে, তাকে বিশেষণ বলে। যেমন: লাল টুপি। সুন্দর বাগান ইত্যাদি। বিশেষণ দুইভাগে বিভক্ত। যথা: ১. নাম বিশেষণ, ২. ভাব বিশেষণ
১. নাম বিশেষণ: যেসব বিশেষণ অন্য কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামকে বিশেষিত করে অর্থাৎ গুণ, দোষ, অবস্থা, সংখ্যা ও পরিমাণ বোঝায়, সেগুলোকে 'নাম বিশেষণ' বলে। যেমন:
- বিশেষ্যের বিশেষণ অনেক মাছ উঠেছে আজ বাজারে।
- সর্বনামের বিশেষণ তিনি রূপবান ও গুণবান।
২. ভাব বিশেষণ: যেসব বিশেষণ বিশেষ্য ও সর্বনাম ছাড়া অন্য শব্দশ্রেণিকে বিশেষিত করে অর্থাৎ অবস্থা, সময় ও ভাব বোঝায়, সেগুলোকে ভাব বিশেষণ বলে। ভাব বিশেষণ দুই প্রকার। যথা: ক. ক্রিয়া বিশেষণ ও
- খ. বিশেষণের বিশেষণ।
ক. ক্রিয়া বিশেষণ: বাংলায় যে শব্দশ্রেণি ক্রিয়া সংঘটনের ভাব, কাল বা রূপ নির্দেশ করে তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে। যেমন:
- ক্রিয়া সংঘটনের ভাব আস্তে আস্তে পানি বাড়ে।
- ক্রিয়া সংঘটনের কাল পরে একবার এসো।
খ. বিশেষণের বিশেষণ: যে বিশেষণ অন্য বিশেষণকে বিশোষিত করে তাকে বিশেষণের বিশেষণ বলে। যেমন:
- নাম বিশেষণের বিশেষণ এই কারণে সে অতিশয় মর্মাহত।
- ক্রিয়া বিশেষণের বিশেষণ: রকেট অতি দ্রুত চলে।