1 Answers

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এ ঘোষণা প্রবাসী মুজিবনগর সরকার পরিচালনার অন্তবর্তীকালীন সংবিধান হিসাবে কার্যকর। এমনকি ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের নতুন সংবিধান প্রণীত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এ ঘোষণা দেশের সংবিধান হিসাবে কার্যকর থাকবে। একটি অতীব সংকটময় অবস্থার মোকাবেলায় স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে সামরিক বাহিনীর আক্রমণের অব্যবহিত পূর্বে এবং পাকিস্তান বাহিনী কর্তৃক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গ্রেফতারের প্রাক্কালে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। স্বাধীনতা ঘোষণায় বলা হয়েছে 'ইহাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ হইতে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের জনগণকে আহ্বান জানাইতেছি যে, যে যেখানে আছ, যাহার যাহা কিছু আছে, তাই নিয়ে রুখে দাঁড়াও, সর্বশক্তি দিয়ে হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করো। পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর শেষ সৈন্যটিকে বাংলার মাটি হইতে বিতাড়িত না করা পর্যন্ত এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জন না করা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাও।'

5 views

Related Questions

জনাব জালালের ১ মার্চ ২০২০ তারিখ হতে নগদ ৫,০০০ টাকা ও ব্যাংক জমার ক্রেডিট ব্যালেন্স ২,৫০০ টাক ছিলো। ঐ মাসে তার অন্যান্য লেনদেনগুলো নিম্নে প্রদান করা হলোঃমার্চ ০২ নগদ বিক্রয় ১০,০০০ টাকা। বিক্রয়লশ অর্থের অংশ ব্যাংকে জমা দেওয়া হল । মার্চ ০৫ জনাব আফজালের পাওনা ২,০০০ টাকা ৫% বাটার অর্ধেক নগদে ও অর্ধেক চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করা হল। মার্চ ০৭ দেনাদারগনের নিকট হতে ২% বাটায় ২০,০০০ টাকার ৯,৬০০ টাকা নগদে এবং অবশিষ্ট টাকার একটি চেক চাওয়া গেল। চেকটি ঐ দিনই ব্যাংকে জমা দেওয়া হল। মার্চ ১০ নগদ বেতন প্রদত্ত ১,০০০ টাকা । মার্চ ৩১ সমাপনি হাতে নগদের অর্ধেক টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়া হল। উপরিউক্ত তথ্যগুলো হতে একটি তিনঘরা নগদান বই তৈরি করুন:
1 Answers 9 Views