1 Answers
5 views
Answered
Related Questions
সমাজ সাধারণভাবে মানুষকে সৃষ্টি করে, মানুষ আবার নিজেকে গড়ে তোলে শিক্ষাদীক্ষা ও সৌন্দর্য সাধনার সহায়তায়। এই যে নিজেকে বিশেষভাবে গড়ে তোলা, এরই নাম কালচার। তাই কালচার্ড মানুষ স্বতন্ত্রসত্তা, আলাদা মানুষ। নিজের চিন্তা, নিজের ভাবনা, নিজের কল্পনার বিকাশ না হলে কালচার্ড হওয়া যায় না। চিন্তা ও বিশ্বাসের ব্যাপারে সমতা স্থাপন করে মানুষের স্বাতন্ত্র্য লুপ্ত করতে চায় বলে সামাজিক বিধি-বিধান অনেক সময়ে কালচারের পরিপন্থি। নিজেকে বাঁচাও, নিজেকে মহান করো, সুন্দর করো, বিচিত্র করো এ-ই কালচারের আদেশ। কালচার ব্যক্তিতান্ত্রিক একথা বললে এ বুঝায় না যে, পারে কোত্থেকে? সুতরাং নিজের স্বার্থের দিকে নজর রেখেই কালচার্ড মানুষ সমাজের কথা ভাবে, এমন কি দরকার হলে কালচার্ড মানুষ সমাজের ধার ধারে না, সে দলছাড়া, গোত্রছাড়া জীব। তা নয়, সমাজের ধার সে খুবই ধারে। নইলে প্রাণ সমাজের জন্য প্রাণ পর্যন্ত দিতে প্রস্তুত থাকে। সংস্কৃতিবান মানুষ ব্যক্তিতান্ত্রিক এই অর্থে যে, সমাজ বা অর্থনীতির কথা ভেবে সে নিজের অসৌন্দর্যকে ক্ষমা করে না। (Translate into English)
1 Answers
18 Views
নিখিলের এত শোভা, এত রূপ, এত হাসি-গান, ছাড়িয়া মরিতে মোর কভু নাহি চাহে মন-প্রাণ এ বিশ্বের সব আমি প্রাণ দিয়ে বাসিয়াছি ভালো- আকাশ বাতাস জল, রবি-শশী, তারকার আলো । সকলেরই সাথে মোর হয়ে গেছে বহু জানা-শোনা, কত কি-যে মাখামাখি, কত কি-যে মায়া-মন্ত্র বোনা বাতাস আমারে ঘিরে খেলা করে মোর চারিপাশ, অনন্তের কত কথা কহে নিতি নীলিমা আকাশ । চাঁদের মধুর হাসি, বিশ্বমুখে পুলক চুম্বন, মিটিমিটি চেয়ে থাকা তারকার করুণ নয়ন, বসন্ত নিদাঘ-শোভা, বিকশিত কুসুমের হাসি, দিকে দিকে শুধু গান, শুধু প্রেম-ভালোবাসাবাসি (সারমর্ম লেখ :)
1 Answers
9 Views