1 Answers

What are the important aspects of his speech? 

6 views

Related Questions

দেশের অর্থনীতিভাবে গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পোশাক শিল্প। যেখানে প্রায় ৪৫ লাখ শ্রমিক কর্মরত । এ সকলে শ্রমিকদের ব্যাংকিং সেবার প্রয়োজন থাকা সত্বেও ৮০ থেকে ৯০ ভাগের কোন ব্যাংক হিসাব না থাকায় তারা সব ধেরনের ব্যাংকিং সেবা থেকে বঞ্চিত বেতন তুলতে হয়, গ্রামাঞ্চলে বাবা মা এবং ভাই-বোনের কাছ টাকা পাঠাতে হয়। শ্রমজীব এ বিপুল জনগোষ্ঠীয় কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌছানোর ক্ষেত্রে দেশের প্রথাগত ব্যাংকিংয়ের চেয়ে উপর্জনকারী দূরে গেলেও বো অধিকতর উপযোগী প্রমাণিত হয়েছে। এই সেবা চালু হওয়ার পর থেকে সংসারের একমতা্র উপর্জনকারী দূরে গেলেও অনেকটাই নিশ্চিত থাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে তুলনামূলক কম খরচে গ্রাহকসেবা পাওয়া সম্বব। এই সেবা মানুষখে সঞ্চয় অভ্যাস গড়ে তুলতেও সহযোগিতা করে বলে সম্প্রতি আইএফসির এক গবেষণা জানা যায়। সুতরায় মানুষের কাছে মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম যত দ্রুততার সঙ্গে সম্প্রসারিত হবে তাদের আর্থিক সেবা ততই সহললভ্য হবে। (Translate in to English)
1 Answers 5 Views
সংগ্রাম মানজীভনের বিভিন্ন ধাপে নানা ধরনের বাধা বিপত্তি আসে। তবে মানুষের জীবনে দুর্দিন দুঃসময় চিরস্থায়ী নয়। এগুলো অবসান হবেই।অন্ধকারের পরেই আলোর অবস্থান। যেমন মানুষ সুখের আকাঙ্ক্ষী । সুখ তার কাম্য , দুঃখ তার পরিত্যাজ্য। দুঃখকে সে ভয়করে । সামনে বিপদের ছায়া ঘনীভূত হয়ে উঠলে সে মুহ্যমান হয়ে পড়ে। কিন্তু অবিমিশ্র সুখ কখনও পাওয়া যায় না। সুখের সঙ্গে দুঃখের সঙ্গ সুখ উভয়ে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। তাছাড়া দুঃখের অমারাত্রি পার হয়েই আসে আনন্দঘন প্রভাত। সুতরাং দুঃখের ভয়ে ভীত হওয়া উচিৎ নয়। দুঃখের অগ্নিপরীক্ষার ভিতর দিয়েই মানুষের চিত্ত শুচিশুভ্র হয়ে উঠে, মানুষ লাভ করে নতুনতম মহিমান্বিত জীবন। সুতরাং দুঃখের পথ বেয়ে আসে সুখ ও শান্তি । মেঘ যতই গভীর ও ঘন বিপদে ভেঙ্গে পড়লে চলবেনা বলিষ্ঠ আত্মবিশ্বাসে তার মোকাবিলা করতে হবে। (Translate into English)
1 Answers 5 Views
অর্থনীতির সব সূচকে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়েছে। রপ্তানি, রেমিট্যান্স, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণসহ সব ক্ষেত্রেই নিন এ উন্নতি হচ্ছে। কৃষি ও খুদে খাতে প্রচুর অর্থায়ন ঘটছে। এর ফলে দেশীয় চাহিদা ও বাজার যেমন বেড়েছে, তেমান সরবরাহ বেড়েছে। দেশের মানুষের ঘুরে দাড়ানোর শক্তি বরাবরই দৃশ্যমান। মাঝে-মধ্যে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা হলেও গত এক ধরে গড়ে ৬.১৪ শতাংশ হারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন দেশের অগ্রগতিরই প্রমাণ। অতি দারিদ্র্যের হার কমানোর ক্ষেত্রে আমরা এখন বেশি এগিয়ে। এই হার প্রায় ১২ শতাংশে নেমে এসেছে। সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এটিকে ৭ শতাংশে ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি অর্জনে মাথাপিছু আয় বাড়ানোর বিকল্প নেই। সে জন্য অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হবে এবং এসডিজি বাস্তবায়নের রোডম্যাপ আমরা তৈরি করেছি, তার আলোকে সবাইকে নিয়ে সম্মিলিত জাতীয় উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে। আর ফু হলেই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। (Translate into English)
1 Answers 6 Views
"আমার বাংলার সভ্যতা, আমার বাঙালি জাতি এ নিয়ে হল, বাঙালি জাতীয়বাদ। বাংলার কৃষ্টি, বাংলার ঐতিহ্য, বাংলার আকাশ-বাতাস, বাঙালির রক্ত দিয়ে গড়া, বাংলার জাতীয়তাবাদ। আমি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, জনসাধারণের ভোটের অধিকারকে বিশ্বাস করি। আমরা বিশ্বাস করি সমাজতন্ত্রে, যেখানে শোষণহীন সমাজ থাকবে। শোষকশ্রেণী আর কোনদিন দেশের মানুষকে শোষণ করতে পারবে না, সেই জন্যই অর্থনীতি হবে সমাজতান্ত্রিক। আর হবে ধর্ম-নিরপেক্ষতা, ধর্ম-নিরপেক্ষতা মনে ধর্মহীনত্য নয়। হিন্দু তার ধর্ম পালন করবে, মুসলমান তার ধর্ম পালন করবে, খৃষ্টান-বৌদ্ধ যে যার ধর্ম পালন করবে। কেউ কারো ধর্মে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না, বাংলার মানুষ এটা চায় না। রাজনৈতিক কারণে ধর্মকে ব্যবহার করা যাবে না। যদি কেউ ব্যবহার করে, তাহলে বাংলার মানুষ তাকে প্রত্যাখ্যাত করবে, এ বিশ্বাস আমি করি। এখানে ধর্মের নামে ব্যবসা চলবে না। ” (Translate into English)
1 Answers 6 Views
নজরুল বিদ্রোহী-চেতনা রূপ লাভ করেছিল পরাধীনতার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে। নজরুলের চিন্তাধারা তাঁর বিদ্রোহী সাল সমষ্টিগত পরিচয় - রাজনৈতিক পরাধীনতা, সাম্প্রদায়িকতা, নারীর অবদমন ও সাংস্কৃতিক আধিপত্যের বিরুদ্ধে। জীবনের পুরোটা সময় তিনি প্রায় চরম দারিদ্র্যের মধ্যে কাটিয়েছেন। দারিদ্র্যকে তিনি নিজের হাতের রেখার মতো চিনতেন। সেজন্য তাঁর সব বিদ্রোহী চেতনার উৎসস্বরূপ দারিদ্র্যকে চিহ্নিত করা যায়। নজরুলের এই ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য পশ্চিমা পুঁজিবাদী সমাজের ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য থেকে ভিন্ন। এই ভিন্নতা কবির বিদ্রোহী সত্তার পরিচয় হলেও সামাজিক ব্যবস্থায় এর অবস্থান কবির রচন ব্যতিক্রমী মাত্রায় প্রতিফলিত হয়েছে। নজরুলের মধ্যে বিদ্রোহ আছে, বিপ্লবী চেতনা আছে, এবং এই কারণে ব্যক্তিস্বাতাহার দিক থেকে তিনি বরাবর আপোসহীন। আর তাঁর অনুসরণে সমাজের দৃঢ়চেতা মানুষগুলো আপন আপন বৈশিষ্ট্য নিয়ে উজ্জ্বল হয়ে উঠলে সমাজের সর্বোচ্চ উন্নতি হতে বাধ্য। (Translation into English)
1 Answers 7 Views