1 Answers

খাদ্যকে শোষণ উপযোগী করে দেহের কাজে লাগাতে হলে পরিপাক প্রয়োজন। 

আমরা যেসকল খাদ্য গ্রহণ করি তার অধিকাংশই বড় অণুবিশিষ্ট এবং এদের রাসায়নিক গঠন অত্যন্ত জটিল প্রকৃতির। এসব খাদ্যবস্তু ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত হয়ে দেহের গ্রহণ উপযোগী সরল উপাদানে পরিণত হয়। আর খাদ্যবস্তুকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত করার কাজটি পরিপাক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হয়।

4 views

Related Questions

মানুষের জীবনপ্রবাহ গতিশীল ও পরিবর্তনশীল। মানবসমাজে নিরবচ্ছিন্ন সুখ বা নিরবচ্ছিন্ন দুঃখ বিরাজোমান নয় । অথচ মানুষ যখন সুখসাগরে অবগাহন করে অকস্মাৎ দুঃখ এস হানা দেয়, মানুষ অসহায় ও হতাশ হয়ে পড়ে। কিন্তু জীভনের এই ছন্দপতন সহজভাবে মেনে নিতে অভ্যস্ত হলে আরো সহজ এবং সুন্দর হয়ে উঠবে মানুষের জীবন। জীবন সত্যের মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে অনায়াসে । মন্দ কিংবা ভালো যাই হোক না কেন সত্যকে জীবনের প্রকৃত লক্ষ্য হওয়া উচিত । ত েসত্যকে রক্ষা করার জন্যে মানসিক দৃঢ়তা প্রয়োজন । দৃঢ় মনোবলের মধ্যে দিয়ে, আদর্শ ও নীতি অক্ষুন্ন রেখে নিখাদ সৎ হয়ে উঠতে পারলেই প্রকৃত গন্তব্যে পৌছানো সম্ভব । ক্নিতু সত্য প্রতিষ্ঠা এবং প্রকৃত গন্তব্য উপনীত হওয়ার সংগ্রাম খুবই কঠিন। যেসব মনীসী পৃথিবী অমর হয়েছেন। তাঁরা নিষ্ঠূর নির্যাতনের মুখোমুখি হয়েও সত্যকে বর্জন বা ত্যাগ করেন নি, বরং আরো আঁকড়ড়ে ধরেছেন। ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সা) এর শ্রেষ্ঠতম উদাহরণ। (Bangla to English)
1 Answers 12 Views
সংগ্রাম মানজীভনের বিভিন্ন ধাপে নানা ধরনের বাধা বিপত্তি আসে। তবে মানুষের জীবনে দুর্দিন দুঃসময় চিরস্থায়ী নয়। এগুলো অবসান হবেই।অন্ধকারের পরেই আলোর অবস্থান। যেমন মানুষ সুখের আকাঙ্ক্ষী । সুখ তার কাম্য , দুঃখ তার পরিত্যাজ্য। দুঃখকে সে ভয়করে । সামনে বিপদের ছায়া ঘনীভূত হয়ে উঠলে সে মুহ্যমান হয়ে পড়ে। কিন্তু অবিমিশ্র সুখ কখনও পাওয়া যায় না। সুখের সঙ্গে দুঃখের সঙ্গ সুখ উভয়ে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। তাছাড়া দুঃখের অমারাত্রি পার হয়েই আসে আনন্দঘন প্রভাত। সুতরাং দুঃখের ভয়ে ভীত হওয়া উচিৎ নয়। দুঃখের অগ্নিপরীক্ষার ভিতর দিয়েই মানুষের চিত্ত শুচিশুভ্র হয়ে উঠে, মানুষ লাভ করে নতুনতম মহিমান্বিত জীবন। সুতরাং দুঃখের পথ বেয়ে আসে সুখ ও শান্তি । মেঘ যতই গভীর ও ঘন বিপদে ভেঙ্গে পড়লে চলবেনা বলিষ্ঠ আত্মবিশ্বাসে তার মোকাবিলা করতে হবে। (Translate into English)
1 Answers 5 Views