1 Answers

ইনানের পারিবারিক পরিবেশ তার যথাযথ বিকাশের অন্তরায়। আমি এ কথাটির সাথে একমত।

ইনানের বাবা-মায়ের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়াঝাটি হয়। তাদের দুজনের মধ্যে সুসম্পর্কের অভাবের কারণে ইনানের প্রতি তারা মনোযোগ দিতে পারেন না। ফলে ইনানের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। শিশুকে গান ও ছড়া শেখানো, গল্প করা, খেলা করা ইত্যাদি বিষয়গুলো খুবই জরুরি। এতে শিশুর সামাজিক ও মানসিক বিকাশ ঘটে। শিশুদের বাইরে ঘুরতে নিয়ে গেলে তাদের অভিজ্ঞতা বাড়ে। বাবা মার সান্নিধ্যে শিশু নিরাপদবোধ করে। এছাড়া শিশুকে সাথে নিয়ে কাজ করলে তার দক্ষতাও বৃদ্ধি পায়।

এছাড়া শিশুকে সাথে নিয়ে কাজ করলে তার দক্ষতাও বৃদ্ধি পায়। ইনানের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, বাবা-মা তাকে মোটেই সময় দেন না। তাদের মধ্যে কলহ লেগেই থাকে। যা ইনানের মানসিক, সামাজিক ও নৈতিক বিকাশে বাধা হয়ে দাঁড়াবে বলে আমি মনে করি।

4 views

Related Questions

কর্ম মুখর পৃথিবীতে মানুষ তার কর্মময় জীবন নিয়ে বেঁচে থাকে। এই কর্মের সোনালি ফসল কিছু সে ভোগ করে , আর কিছু জগতের কল্যানের জন্য নিবেদন করে। এ পৃথিবীতে মানুষের জীবন নশ্বর তাই নশ্বর জীবনে যা কিছু ভোগ করা হয় , জীবন অতিবাহিত হওয়ার পথে তা নিঃশেষিত হয়ে যায়। এ জগতে যারা স্বার্থপর তাদের জীবনে ভোগের পরিমান বেশি। কিন্তু যারা কল্যানকামী , যারা ত্যাগ স্বীকার করে মানবকল্যানের জন্য নিজদের জীবনকে উৎসর্গ করে গিয়েছেন , তাদের মৃত্যুর সাথে সাথে সে জীবন নিঃশেষিত হয়ে যায় না। ব্যাক্তিমানুষের মৃত্যু ঘটে, কিন্তু কীর্তি বেঁচে থাকে। তাই যে ব্যাক্তি জনগনের কল্যানে কিছু করে , মানবজীবনে তা অমর হয়ে রয়ে যায়। বিশ্বসভ্যতার ইতিহাসে দৃষ্টি নিবন্ধ করলে দেখা যায় , জগতে যারা মানবকল্যানে কিছু দিয়ে গেছেন তারাইওমর হয়ে আছেন। মহাকালের করাল গ্রাসে সবই চলে যায় , কিন্তু বেঁচে থাকে তার সুকীর্তি। সেই মহৎ কীর্তি জগতে অমর হয়ে থাকে। সকৃতজ্ঞ জনগন তার অবর্তমানে তার দানের ভার বহন করে।
1 Answers 16 Views
সংগ্রাম মানজীভনের বিভিন্ন ধাপে নানা ধরনের বাধা বিপত্তি আসে। তবে মানুষের জীবনে দুর্দিন দুঃসময় চিরস্থায়ী নয়। এগুলো অবসান হবেই।অন্ধকারের পরেই আলোর অবস্থান। যেমন মানুষ সুখের আকাঙ্ক্ষী । সুখ তার কাম্য , দুঃখ তার পরিত্যাজ্য। দুঃখকে সে ভয়করে । সামনে বিপদের ছায়া ঘনীভূত হয়ে উঠলে সে মুহ্যমান হয়ে পড়ে। কিন্তু অবিমিশ্র সুখ কখনও পাওয়া যায় না। সুখের সঙ্গে দুঃখের সঙ্গ সুখ উভয়ে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। তাছাড়া দুঃখের অমারাত্রি পার হয়েই আসে আনন্দঘন প্রভাত। সুতরাং দুঃখের ভয়ে ভীত হওয়া উচিৎ নয়। দুঃখের অগ্নিপরীক্ষার ভিতর দিয়েই মানুষের চিত্ত শুচিশুভ্র হয়ে উঠে, মানুষ লাভ করে নতুনতম মহিমান্বিত জীবন। সুতরাং দুঃখের পথ বেয়ে আসে সুখ ও শান্তি । মেঘ যতই গভীর ও ঘন বিপদে ভেঙ্গে পড়লে চলবেনা বলিষ্ঠ আত্মবিশ্বাসে তার মোকাবিলা করতে হবে। (Translate into English)
1 Answers 5 Views
নীতি এবং পন্থাগত বড় পরিবর্তনের প্রয়োজন আর্থিক খাতে। আশির দশক থেকে উন্নত এবং কিছু উন্নয়নশীল দেশে সবুজ অর্থায়ন গ্রহনযোগ্য হতে শুরু করে। পরিবেশ বান্ধব ব্যাংকিং কার্যক্রম আর্থিক খাত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর এক ধরনের সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ। অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিপালন কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিবেশ বান্ধব ব্যাংকিং কার্যক্রমে অংশ নিয়ে থাকে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র নিজেদের পরিবেশ বান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে পারে না, অন্যান্য শিল্প কারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়ায় পরিবেশের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে। (Translate the following into English)
1 Answers 4 Views
ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ব্যাংকের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। ব্যাংক সাধারণ জনগণের আমানত এবং সঞ্চয় রক্ষা করে। ব্যাংক একটি সুনির্দিষ্ট নীতিকাঠামোর আওতায় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা করে। আমানতকারীর স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য এটা জরুরী। মন্দার সময়ে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা আরও বেশী। এ ব্যাপারে ব্যাংক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব সর্বাধিক। এর নজরদারি করবে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। ব্যাংক নতুন ঝুঁকির মুখোমুখি হচ্ছে। পূর্বে সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলো যথাযথ গুরুত্ব পায়নি। সময়ের সাথে সাথে এ ধরণের ঝুঁকি মোকাবেলায় মনোযোগী। হয়ে উঠছে ব্যাংকগুলো। (Translation Bangla to English)
1 Answers 4 Views