1 Answers

ছবি A-তে ওষুধ সেবনের দৃশ্যে রসায়নের সম্পর্কটি বিভিন্ন দিক থেকে বোঝা যায়:

কেমিক্যাল কম্পোজিশন: ওষুধগুলো সাধারণত বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের সংমিশ্রণ হিসেবে তৈরি হয়। এই রাসায়নিক উপাদানগুলি রোগ নিরাময়ে বা লক্ষণ উপশমে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। উদাহরণস্বরূপ, প্যারাসিটামল বা অ্যাসপিরিনের মতো ওষুধগুলো তাদের রাসায়নিক গঠনের কারণে ব্যথা এবং জ্বর কমাতে সক্ষম।

রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া: যখন ওষুধ সেবন করা হয়, তখন তা শরীরে প্রবাহিত হয়ে বিভিন্ন রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া শুরু করে। এই প্রতিক্রিয়াগুলি শরীরের কার্যক্রমে পরিবর্তন আনতে সহায়ক হয়। যেমন, অ্যান্টিবায়োটিকস ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে এবং ইনফেকশন কমাতে সাহায্য করে।

জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই: অনেক ওষুধের মধ্যে কার্যকরী উপাদান থাকে যা জীবাণু বা ভাইরাসের কার্যক্রমকে নিষ্ক্রিয় করে। এই প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক পদার্থগুলি জীবাণুর বৃদ্ধি রোধ করে।

বায়োকেমিস্ট্রি: শরীরের ভেতরে ওষুধ কিভাবে কাজ করে তা বোঝার জন্য বায়োকেমিস্ট্রি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে আমরা জানি কিভাবে ওষুধের রাসায়নিক গঠন এবং তার প্রতিক্রিয়া শরীরের কোষের সাথে সম্পর্কিত।

এভাবে, ছবিতে দেখা ওষুধ সেবন রসায়ন এবং তার প্রয়োগের ক্ষেত্রে গভীর সম্পর্ক তুলে ধরে।

61 views

Related Questions

জীর্ণ- পুরোনোকে বিদায় জানিয়ে বাংলার ঘরে ঘরে বাংলা নববর্ষ আসে নতুন আশা , নতুন স্বপ্ন ম নতুন প্রত্যয় নিয়ে। এ উৎসেবের সর্বজননীতা অসাধারণ। পৃথিবীতে প্রচলিত অধিকাংশ বর্ষপুঞ্জি উৎপত্তি কোনো না ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত, কিন্তু বাংলা নববর্ষের সঙ্গে ধর্মীয় অনুসঙ্গ নেই। কৃষিকাজ ও খাজনা সংগ্রহের ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করেই এর প্রচলন। পরে যুক্ত হয় ব্যবসা – বাণিজ্যে েদেনা পাওনার হিসাব মেটানোর বা হালখাতার বিষয়। এখন পয়লা বৈশাখ সব বাঙালির সর্বজনীন সাংস্কৃতিক আনন্দ উৎসব। ধর্ম – সম্প্রদায় নির্বিশেষ বাংলা ভূখন্ডের সব মানুষের প্রানের উৎসব বাংলা নববর্ষ । ষাটের দশকের রমনা বটমূলে সূচীত ছায়ানটের বর্ষবরণ উৎসব বাঙালির আত্মপরিচয়ের আন্দোলন – সংগ্রামকে বেগবান করেছে। (Translate into English)
1 Answers 7 Views
সমাজ সাধারণভাবে মানুষকে সৃষ্টি করে, মানুষ আবার নিজেকে গড়ে তোলে শিক্ষাদীক্ষা ও সৌন্দর্য সাধনার সহায়তায়। এই যে নিজেকে বিশেষভাবে গড়ে তোলা, এরই নাম কালচার। তাই কালচার্ড মানুষ স্বতন্ত্রসত্তা, আলাদা মানুষ। নিজের চিন্তা, নিজের ভাবনা, নিজের কল্পনার বিকাশ না হলে কালচার্ড হওয়া যায় না। চিন্তা ও বিশ্বাসের ব্যাপারে সমতা স্থাপন করে মানুষের স্বাতন্ত্র্য লুপ্ত করতে চায় বলে সামাজিক বিধি-বিধান অনেক সময়ে কালচারের পরিপন্থি। নিজেকে বাঁচাও, নিজেকে মহান করো, সুন্দর করো, বিচিত্র করো এ-ই কালচারের আদেশ। কালচার ব্যক্তিতান্ত্রিক একথা বললে এ বুঝায় না যে, পারে কোত্থেকে? সুতরাং নিজের স্বার্থের দিকে নজর রেখেই কালচার্ড মানুষ সমাজের কথা ভাবে, এমন কি দরকার হলে কালচার্ড মানুষ সমাজের ধার ধারে না, সে দলছাড়া, গোত্রছাড়া জীব। তা নয়, সমাজের ধার সে খুবই ধারে। নইলে প্রাণ সমাজের জন্য প্রাণ পর্যন্ত দিতে প্রস্তুত থাকে। সংস্কৃতিবান মানুষ ব্যক্তিতান্ত্রিক এই অর্থে যে, সমাজ বা অর্থনীতির কথা ভেবে সে নিজের অসৌন্দর্যকে ক্ষমা করে না। (Translate into English)
1 Answers 18 Views
বাংলাদেশের অর্থনীতি বড় হচ্ছে। বড় হওয়ার পেছনে কাঠামোগতভাবে একসময়ে কৃষির অবদান সবচেয়ে বেশি থাকলেও বর্তমানে সেই চিত্রে পরিবর্তন এসেছে। কৃষির জায়গাটি দখল করে নিয়েছে সেবা ও শিল্প খাত। গত পাঁচ বছরের সরকারি তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, দেশের অর্থনীতিতে ধারাবাহিকভাবে অবদান বাড়িয়ে চলেছে উৎপাদন শিল্প । অর্থনীতিকে বড় করতে এ খাতই এখন মূখ্য ভূমিকা রাখছে। কৃষিনির্ভর অর্থনীতির কাঠামো বদলাতে শুরু করে আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে। মূলত পোশাক খাতের সংযোগ হিসেবে গড়ে ওঠে অনেক শিল্প। এছাড়া ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় পোশাক খাতের পাশাপাশি বেশকিছু ভারী শিল্পেও গড়ে উঠতে থাকে। আর এভাবেই অর্থনৈতিক কাঠামোতে জায়গা করে নিতে শুরু করে উৎপাদন খাত। (Translate into English)
1 Answers 8 Views