1 Answers

কৃষি সমবায় হলো একটি সংগঠন বা প্রতিষ্ঠান যা কৃষকদের সহযোগিতার মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন ও অন্যান্য কৃষি সংক্রান্ত কার্যক্রমে সাহায্য করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো কৃষকদের মধ্যে সামগ্রিক উন্নয়ন, উপকারিতা বৃদ্ধি এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করা। কৃষি সমবায়ের প্রধান বৈশিষ্ট্য ও কার্যক্রমের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত:

  1. কৃষি সংক্রান্ত পণ্য ও সেবার সরবরাহ: কৃষকদের জন্য সার, বীজ, কীটনাশক, এবং অন্যান্য কৃষি উপকরণ সরবরাহ করা।
  2. বিক্রয় ও বাজারজাতকরণ: কৃষিপণ্য উৎপাদন করে বাজারে বিক্রয় এবং ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তির জন্য সহায়তা করা।
  3. অর্থায়ন ও ঋণ সুবিধা: কৃষকদের প্রয়োজনীয় অর্থায়ন বা ঋণ প্রদান করা যাতে তারা তাদের কৃষি কাজ নির্বিঘ্নে চালিয়ে যেতে পারে।
  4. প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ: নতুন কৃষি প্রযুক্তি, পদ্ধতি ও আধুনিক কৃষি বিজ্ঞানে প্রশিক্ষণ প্রদান।
  5. সামাজিক উন্নয়ন: কৃষকদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সাহায্য করা।

কৃষি সমবায় কৃষকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সংহতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন ও কৃষি অর্থনীতি উন্নত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

4 views

Related Questions

অর্থনীতির সব সূচকে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়েছে। রপ্তানি, রেমিট্যান্স, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণসহ সব ক্ষেত্রেই নিন এ উন্নতি হচ্ছে। কৃষি ও খুদে খাতে প্রচুর অর্থায়ন ঘটছে। এর ফলে দেশীয় চাহিদা ও বাজার যেমন বেড়েছে, তেমান সরবরাহ বেড়েছে। দেশের মানুষের ঘুরে দাড়ানোর শক্তি বরাবরই দৃশ্যমান। মাঝে-মধ্যে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা হলেও গত এক ধরে গড়ে ৬.১৪ শতাংশ হারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন দেশের অগ্রগতিরই প্রমাণ। অতি দারিদ্র্যের হার কমানোর ক্ষেত্রে আমরা এখন বেশি এগিয়ে। এই হার প্রায় ১২ শতাংশে নেমে এসেছে। সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এটিকে ৭ শতাংশে ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি অর্জনে মাথাপিছু আয় বাড়ানোর বিকল্প নেই। সে জন্য অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হবে এবং এসডিজি বাস্তবায়নের রোডম্যাপ আমরা তৈরি করেছি, তার আলোকে সবাইকে নিয়ে সম্মিলিত জাতীয় উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে। আর ফু হলেই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। (Translate into English)
1 Answers 6 Views