1 Answers

নিউক্লিয়ার ফিশনঃ (১) একটি বড় নিউক্লিয়াস হালকা নিউক্লিয়াসে বিভাজিত হয়। (২) কোনো উচ্চ তাপমাত্রার প্রয়োজন হয় না। (৩) শিকল বিক্রিয়া ঘটে। (৪) এই বিক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং উৎপাদিত শক্তিকে শান্তিপূর্ণ কাজে ব্যবহার করা যায় । (৫) বিক্রিয়ার উৎপাদ প্রকৃতিতে তেজস্ক্রিয় হয়। (৬) বিক্রিয়া শেষে নিউক্লিয় বর্জ্য পরিত্যক্ত হয়। (৭) যেমন- পারমাণবিক চুল্লিতে ইউরেনিয়াম পরমাণুকে একটি নিউট্রন দ্বারা আঘাত করে এর ফিশন ঘটানো হয় ।

নিউক্লিয়ার ফিউশনঃ (১) হালকা নিউক্লিয়াসসমূহ একত্রিত হয়ে ভারী নিউক্লিয়াস তৈরি করে। (২) সর্বোচ্চ উচ্চ তাপমাত্রার প্রয়োজন হয়। (৩) শিকল বিক্রিয়া ঘটে না। (৪) এই বিক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না এবং উৎপাদিত শক্তিকে শান্তিপূর্ণ কাজে ব্যবহার করা যায় না। (৫) বিক্রিয়ার উৎপাদ প্রকৃতিতে তেজস্ক্রিয় হয় না। (৬) বিক্রিয়া শেষে কোনো নিউক্লিয় বর্জ্য পরিত্যক্ত হয় না। (৭) যেমনঃ হাইড্রোজেনের দুইটি আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম ও ট্রিশিয়াম যুক্ত হয়ে হিলিয়াম তৈরি করে থাকে । এই বিক্রিয়াটি সূর্যে ঘটে থাকে ।

4 views

Related Questions

করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। মার্কিন সংবাদ মাধ্যম ব্লুমবার্গের কোভিন্ন সহনশীলতা সূচকে চলতি মাসে পাঁচ ধাপ এগিয়ে বিশ্বের ৫০টি দেশের মধ্যে ৩৯ তম অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। গত আগস্টে ব্লুমবার্গের এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৪৪ তম কোভির ১৯ নিয়ন্ত্র স্বাস্থ্যসেবার মান, টিকাদান, সামগ্রিক মৃত্যুহার ও গত মাসে ভ্রমণ পুনরায় শুরু এবং সীমান্ত বিধি-নিষেধ শিথিলসহ মোট ১২ টি তথ্য সূচকের ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের বৃহত্তম ৫৩ অর্থনীতির দেশকে নিয়ে এই সূচক তৈরি করেছে ব্লুমবার্গ সূচক অনুযায়ী, করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় মোট ১০০ স্কোরের মধ্যে বাংলাদেশ পেয়েছে ৫৯ দশমিক ৬। (Translate into English)
1 Answers 6 Views
অর্থনীতির সব সূচকে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়েছে। রপ্তানি, রেমিট্যান্স, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণসহ সব ক্ষেত্রেই নিন এ উন্নতি হচ্ছে। কৃষি ও খুদে খাতে প্রচুর অর্থায়ন ঘটছে। এর ফলে দেশীয় চাহিদা ও বাজার যেমন বেড়েছে, তেমান সরবরাহ বেড়েছে। দেশের মানুষের ঘুরে দাড়ানোর শক্তি বরাবরই দৃশ্যমান। মাঝে-মধ্যে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা হলেও গত এক ধরে গড়ে ৬.১৪ শতাংশ হারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন দেশের অগ্রগতিরই প্রমাণ। অতি দারিদ্র্যের হার কমানোর ক্ষেত্রে আমরা এখন বেশি এগিয়ে। এই হার প্রায় ১২ শতাংশে নেমে এসেছে। সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এটিকে ৭ শতাংশে ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি অর্জনে মাথাপিছু আয় বাড়ানোর বিকল্প নেই। সে জন্য অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হবে এবং এসডিজি বাস্তবায়নের রোডম্যাপ আমরা তৈরি করেছি, তার আলোকে সবাইকে নিয়ে সম্মিলিত জাতীয় উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে। আর ফু হলেই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। (Translate into English)
1 Answers 6 Views