1 Answers

আমি তাঁকে পড়তে শুনলাম 

= I heard him reading.

7 views

Related Questions

আঠারো/ উনিশ শতকে ঢাকার একটা আলাদা জীবন ছিল। কিন্তু সমস্ত পূর্ববঙ্গ একটা পশ্চাৎ ভূমি। বাংলার রাজধানী কোলকাতা থাকায় সেখানেই ছিল সমস্ত শিক্ষা, দীক্ষা ব্যবসআ বাণিজ্য এবং সমৃদ্ধি। পূর্ব বাংলা থেকে সমস্ত অর্থ- সম্পদ চলে যেত কোলকাতা কেন্দ্রিক জমিদারদের হাতে , যাদের অনেকেরই জমিদারি ছিল বাংলাদেশে। এই বঞ্চনার ইতিহাস দীর্ঘ হতে হতে কুঁড়ি শতকের ইংরেজ শাসকরাও বুঝতে পেরেছিলেন যে পূর্ববঙ্গ সত্যি সত্যি বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। তারা এও বুঝতে আরেকটি বড় অভাব তারা চিহ্নিত করেছিল। সেটা ছিল শিক্ষার অভাব। এরপর ১৯০৫ সালে প্রথম যখন বঙ্গভঙ্গ হল তখন ঢাকা একটি প্রাদেশিক রাজধানীর মর্যাদা পেল। তখনই সত্যিকার অর্থে জেগে ওঠে ঢাকা। তখন যে সমস্ত বাঙালি ঢাকার বাইরে ছিল তাদের সৃষ্টি পড়তে শুরু করল ঢাকার দিকে। সেই সময়েই আসলে পূর্ববঙ্গের জাগরণ শুরু হয়। (Translate Bengali to English)
1 Answers 4 Views
"আমার বাংলার সভ্যতা, আমার বাঙালি জাতি এ নিয়ে হল, বাঙালি জাতীয়বাদ। বাংলার কৃষ্টি, বাংলার ঐতিহ্য, বাংলার আকাশ-বাতাস, বাঙালির রক্ত দিয়ে গড়া, বাংলার জাতীয়তাবাদ। আমি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, জনসাধারণের ভোটের অধিকারকে বিশ্বাস করি। আমরা বিশ্বাস করি সমাজতন্ত্রে, যেখানে শোষণহীন সমাজ থাকবে। শোষকশ্রেণী আর কোনদিন দেশের মানুষকে শোষণ করতে পারবে না, সেই জন্যই অর্থনীতি হবে সমাজতান্ত্রিক। আর হবে ধর্ম-নিরপেক্ষতা, ধর্ম-নিরপেক্ষতা মনে ধর্মহীনত্য নয়। হিন্দু তার ধর্ম পালন করবে, মুসলমান তার ধর্ম পালন করবে, খৃষ্টান-বৌদ্ধ যে যার ধর্ম পালন করবে। কেউ কারো ধর্মে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না, বাংলার মানুষ এটা চায় না। রাজনৈতিক কারণে ধর্মকে ব্যবহার করা যাবে না। যদি কেউ ব্যবহার করে, তাহলে বাংলার মানুষ তাকে প্রত্যাখ্যাত করবে, এ বিশ্বাস আমি করি। এখানে ধর্মের নামে ব্যবসা চলবে না। ” (Translate into English)
1 Answers 6 Views