1 Answers
শিবালয়, মানিকগঞ্জ
২৭-০২-২০২১
প্রিয় তারেকুল ইসলাম,
আসসালামু আলাইকুম, আশা করি ভালো আছো। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমিও ভালো আছি। আজ তোমাকে কোভিড-১৯ মহামারী পরবর্তী সময়ে বেকারত্ব মোকাবিলায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টি গ্রামীণ অর্থনীতিতে কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে দে বিষয়ে লিখবো।
করোনার আঘাতে বৈশ্বিক অর্থনীতির চাকা যে অনেকটাই ধীর হয়ে যাবে, সে ব্যাপারে সব ধাবার বিশেষজ্ঞ এবং বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানগুলো একমত। বাংলাদেশ বিচ্ছিন্ন কোনো দ্বীপ নয়, আর তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই এই ঝুঁকির বাইরে নয়। করোনায় অর্থনীতির ক্ষতি হবেই, এটাই মেনে নিয়ে এগোতে হবে। ক্ষতি কতটা সামাল দেওয়া যায়, তাই হচ্ছে আসল কথা। এ ক্ষেে বাংলাদেশে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টি অর্থনৈতিক সংকটের মুকাবেলা করতে পারে। এ জন্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প-ই হবে দেশের প্রধান হাতিয়ার।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পই দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির চালিকা শক্তি। অম্ল বা মোটামুটি বিনিয়োগে অধিক কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে এই খাত। বাংলাদেশের মতো বিপুল শ্রমশক্তির দেশে বেকারত্ব হ্রাস ও দারিদ্র্য বিমোচনে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী শিল্প খাতের মোট কর্মসংস্থানের ৮০ শতাংশ এবং মোট শ্রমবাজারের শতাংশের কর্মসংস্থান হচ্ছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকারখানাগুলোতে। অনেক বিশেষজ্ঞই মনে করেন, প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা গেলে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প মোট দেশজ উৎপাদনে আরও অনেক বেশি অবদান রাখতে পারে। এভাবে গ্রামীণ অর্থনীতিতে কোভিড-১৯ পরবর্তী অর্থনীতি সঙ্কট মোকাবেলায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টি বিশাল ভূমিকা রাখতে পারে।
আজকের মতো আর নয়। ভালো থেকো এবং মনোযোগ দিয়ে পড়াশুনা করো।
ইতি তোমারই মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম
| প্রেরক: নাম: মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম ঠিকানা: দশচিড়া, টেপরা, শিবালয়, মানিকগঞ্জ-১৮৭৭ | প্রাপক, নাম: তারেকুল ইসলাম |