1 Answers

বাহ! তোমার কলমটি কী সুন্দর! 

= How nice your pen is !

4 views

Related Questions

মানুষের জীবনপ্রবাহ গতিশীল ও পরিবর্তনশীল। মানবসমাজে নিরবচ্ছিন্ন সুখ বা নিরবচ্ছিন্ন দুঃখ বিরাজোমান নয় । অথচ মানুষ যখন সুখসাগরে অবগাহন করে অকস্মাৎ দুঃখ এস হানা দেয়, মানুষ অসহায় ও হতাশ হয়ে পড়ে। কিন্তু জীভনের এই ছন্দপতন সহজভাবে মেনে নিতে অভ্যস্ত হলে আরো সহজ এবং সুন্দর হয়ে উঠবে মানুষের জীবন। জীবন সত্যের মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে অনায়াসে । মন্দ কিংবা ভালো যাই হোক না কেন সত্যকে জীবনের প্রকৃত লক্ষ্য হওয়া উচিত । ত েসত্যকে রক্ষা করার জন্যে মানসিক দৃঢ়তা প্রয়োজন । দৃঢ় মনোবলের মধ্যে দিয়ে, আদর্শ ও নীতি অক্ষুন্ন রেখে নিখাদ সৎ হয়ে উঠতে পারলেই প্রকৃত গন্তব্যে পৌছানো সম্ভব । ক্নিতু সত্য প্রতিষ্ঠা এবং প্রকৃত গন্তব্য উপনীত হওয়ার সংগ্রাম খুবই কঠিন। যেসব মনীসী পৃথিবী অমর হয়েছেন। তাঁরা নিষ্ঠূর নির্যাতনের মুখোমুখি হয়েও সত্যকে বর্জন বা ত্যাগ করেন নি, বরং আরো আঁকড়ড়ে ধরেছেন। ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সা) এর শ্রেষ্ঠতম উদাহরণ। (Bangla to English)
1 Answers 12 Views
সমাজ সাধারণভাবে মানুষকে সৃষ্টি করে, মানুষ আবার নিজেকে গড়ে তোলে শিক্ষাদীক্ষা ও সৌন্দর্য সাধনার সহায়তায়। এই যে নিজেকে বিশেষভাবে গড়ে তোলা, এরই নাম কালচার। তাই কালচার্ড মানুষ স্বতন্ত্রসত্তা, আলাদা মানুষ। নিজের চিন্তা, নিজের ভাবনা, নিজের কল্পনার বিকাশ না হলে কালচার্ড হওয়া যায় না। চিন্তা ও বিশ্বাসের ব্যাপারে সমতা স্থাপন করে মানুষের স্বাতন্ত্র্য লুপ্ত করতে চায় বলে সামাজিক বিধি-বিধান অনেক সময়ে কালচারের পরিপন্থি। নিজেকে বাঁচাও, নিজেকে মহান করো, সুন্দর করো, বিচিত্র করো এ-ই কালচারের আদেশ। কালচার ব্যক্তিতান্ত্রিক একথা বললে এ বুঝায় না যে, পারে কোত্থেকে? সুতরাং নিজের স্বার্থের দিকে নজর রেখেই কালচার্ড মানুষ সমাজের কথা ভাবে, এমন কি দরকার হলে কালচার্ড মানুষ সমাজের ধার ধারে না, সে দলছাড়া, গোত্রছাড়া জীব। তা নয়, সমাজের ধার সে খুবই ধারে। নইলে প্রাণ সমাজের জন্য প্রাণ পর্যন্ত দিতে প্রস্তুত থাকে। সংস্কৃতিবান মানুষ ব্যক্তিতান্ত্রিক এই অর্থে যে, সমাজ বা অর্থনীতির কথা ভেবে সে নিজের অসৌন্দর্যকে ক্ষমা করে না। (Translate into English)
1 Answers 18 Views