1 Answers

কে না সুখি হতে চায়?

= Who does not want to be happy?

4 views

Related Questions

আঠারো/ উনিশ শতকে ঢাকার একটা আলাদা জীবন ছিল। কিন্তু সমস্ত পূর্ববঙ্গ একটা পশ্চাৎ ভূমি। বাংলার রাজধানী কোলকাতা থাকায় সেখানেই ছিল সমস্ত শিক্ষা, দীক্ষা ব্যবসআ বাণিজ্য এবং সমৃদ্ধি। পূর্ব বাংলা থেকে সমস্ত অর্থ- সম্পদ চলে যেত কোলকাতা কেন্দ্রিক জমিদারদের হাতে , যাদের অনেকেরই জমিদারি ছিল বাংলাদেশে। এই বঞ্চনার ইতিহাস দীর্ঘ হতে হতে কুঁড়ি শতকের ইংরেজ শাসকরাও বুঝতে পেরেছিলেন যে পূর্ববঙ্গ সত্যি সত্যি বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। তারা এও বুঝতে আরেকটি বড় অভাব তারা চিহ্নিত করেছিল। সেটা ছিল শিক্ষার অভাব। এরপর ১৯০৫ সালে প্রথম যখন বঙ্গভঙ্গ হল তখন ঢাকা একটি প্রাদেশিক রাজধানীর মর্যাদা পেল। তখনই সত্যিকার অর্থে জেগে ওঠে ঢাকা। তখন যে সমস্ত বাঙালি ঢাকার বাইরে ছিল তাদের সৃষ্টি পড়তে শুরু করল ঢাকার দিকে। সেই সময়েই আসলে পূর্ববঙ্গের জাগরণ শুরু হয়। (Translate Bengali to English)
1 Answers 4 Views
সমাজ সাধারণভাবে মানুষকে সৃষ্টি করে, মানুষ আবার নিজেকে গড়ে তোলে শিক্ষাদীক্ষা ও সৌন্দর্য সাধনার সহায়তায়। এই যে নিজেকে বিশেষভাবে গড়ে তোলা, এরই নাম কালচার। তাই কালচার্ড মানুষ স্বতন্ত্রসত্তা, আলাদা মানুষ। নিজের চিন্তা, নিজের ভাবনা, নিজের কল্পনার বিকাশ না হলে কালচার্ড হওয়া যায় না। চিন্তা ও বিশ্বাসের ব্যাপারে সমতা স্থাপন করে মানুষের স্বাতন্ত্র্য লুপ্ত করতে চায় বলে সামাজিক বিধি-বিধান অনেক সময়ে কালচারের পরিপন্থি। নিজেকে বাঁচাও, নিজেকে মহান করো, সুন্দর করো, বিচিত্র করো এ-ই কালচারের আদেশ। কালচার ব্যক্তিতান্ত্রিক একথা বললে এ বুঝায় না যে, পারে কোত্থেকে? সুতরাং নিজের স্বার্থের দিকে নজর রেখেই কালচার্ড মানুষ সমাজের কথা ভাবে, এমন কি দরকার হলে কালচার্ড মানুষ সমাজের ধার ধারে না, সে দলছাড়া, গোত্রছাড়া জীব। তা নয়, সমাজের ধার সে খুবই ধারে। নইলে প্রাণ সমাজের জন্য প্রাণ পর্যন্ত দিতে প্রস্তুত থাকে। সংস্কৃতিবান মানুষ ব্যক্তিতান্ত্রিক এই অর্থে যে, সমাজ বা অর্থনীতির কথা ভেবে সে নিজের অসৌন্দর্যকে ক্ষমা করে না। (Translate into English)
1 Answers 18 Views
"আমার বাংলার সভ্যতা, আমার বাঙালি জাতি এ নিয়ে হল, বাঙালি জাতীয়বাদ। বাংলার কৃষ্টি, বাংলার ঐতিহ্য, বাংলার আকাশ-বাতাস, বাঙালির রক্ত দিয়ে গড়া, বাংলার জাতীয়তাবাদ। আমি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, জনসাধারণের ভোটের অধিকারকে বিশ্বাস করি। আমরা বিশ্বাস করি সমাজতন্ত্রে, যেখানে শোষণহীন সমাজ থাকবে। শোষকশ্রেণী আর কোনদিন দেশের মানুষকে শোষণ করতে পারবে না, সেই জন্যই অর্থনীতি হবে সমাজতান্ত্রিক। আর হবে ধর্ম-নিরপেক্ষতা, ধর্ম-নিরপেক্ষতা মনে ধর্মহীনত্য নয়। হিন্দু তার ধর্ম পালন করবে, মুসলমান তার ধর্ম পালন করবে, খৃষ্টান-বৌদ্ধ যে যার ধর্ম পালন করবে। কেউ কারো ধর্মে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না, বাংলার মানুষ এটা চায় না। রাজনৈতিক কারণে ধর্মকে ব্যবহার করা যাবে না। যদি কেউ ব্যবহার করে, তাহলে বাংলার মানুষ তাকে প্রত্যাখ্যাত করবে, এ বিশ্বাস আমি করি। এখানে ধর্মের নামে ব্যবসা চলবে না। ” (Translate into English)
1 Answers 6 Views
দিন দিন অনলাইনে কেনাকাটা জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আর এ সুযোগে একটি চক্র গ্রাহকদের সঙ্গে করছে প্রতারণা। অনলাইনে চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে অনেক সাধারণ গ্রাহক পণ্য কিনে নানাভাবে প্রতারণা শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে চাহিদা অনুযায়ী সঠিক পণ্য সরবরাহ না করা এবং করলেও নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ করার ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। অনলাইনে প্রতারণার শিকার হলে ও বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সাইট এবং প্রতারণার ধরনের সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করতে হবে। পরবর্তী সময়ে পণ্য কেনা বা হাতে পাওয়ার তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করতে হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার সত্যতা প্রমাণ পেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জরিমানা প্রদানের আদেশ দেবে অধিদপ্তর। এ জরিমানা হিসেবে যে টাকা আদায় করা হবে তার ২৫ শতাংশ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত ভোক্তাকে দেওয়া হবে । সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ চেয়েও আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যায় ৷ (Translate into English)
1 Answers 7 Views
নীতি এবং পন্থাগত বড় পরিবর্তনের প্রয়োজন আর্থিক খাতে। আশির দশক থেকে উন্নত এবং কিছু উন্নয়নশীল দেশে সবুজ অর্থায়ন গ্রহনযোগ্য হতে শুরু করে। পরিবেশ বান্ধব ব্যাংকিং কার্যক্রম আর্থিক খাত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর এক ধরনের সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ। অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিপালন কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিবেশ বান্ধব ব্যাংকিং কার্যক্রমে অংশ নিয়ে থাকে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র নিজেদের পরিবেশ বান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে পারে না, অন্যান্য শিল্প কারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়ায় পরিবেশের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে। (Translate the following into English)
1 Answers 4 Views