ডায়াবেটিসে আক্রান্ত বিষয় নিয়ে
1 Answers
১. খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন:
কম কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার: সাদা চাল, চিনি, মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। বরং লো-গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) সমৃদ্ধ খাবার খান যেমন: বাদামি চাল, শাকসবজি, সম্পূর্ণ শস্যদানা।
ফাইবারযুক্ত খাবার: খাদ্য তালিকায় বেশি পরিমাণ ফাইবার যুক্ত খাবার যোগ করুন, যেমন: শাকসবজি, ফলমূল (যেমন আপেল, বেরি), এবং লেগিউম।
প্রোটিন: মাছ, মুরগি, ডিম, এবং উদ্ভিজ্জ প্রোটিন গ্রহণ করুন। এটি আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হবে।
তেল ও চর্বি নিয়ন্ত্রণ: ট্রান্স ফ্যাট এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট এড়িয়ে ওলিভ অয়েল বা অ্যাভোকাডোর মতো স্বাস্থ্যকর চর্বি গ্রহণ করুন।
২. শারীরিক ব্যায়াম:
নিয়মিত ব্যায়াম: সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ৩০ মিনিটের মাঝারি শারীরিক ব্যায়াম করুন। হাঁটা, সাইক্লিং, সাঁতার বা হালকা জগিং আপনার জন্য উপকারী হতে পারে।
ওজন কমানো: ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে হলে প্রতিদিন ক্যালোরি খরচ এবং খাদ্যগ্রহণের মধ্যে সামঞ্জস্য রাখতে হবে। সামান্য ওজন কমানো ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ৫০% পর্যন্ত কমাতে পারে।
৩. নিয়মিত রক্তে শর্করা পরীক্ষা:
রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়মিত পরীক্ষা করুন, যাতে আপনি জানতে পারেন আপনার জীবনধারার পরিবর্তন কতটা কার্যকর হচ্ছে।
৪. স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ:
মানসিক চাপ রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে। স্ট্রেস কমাতে ধ্যান, যোগব্যায়াম, এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম গ্রহণ করুন।
৫. পর্যাপ্ত ঘুম:
ঘুমের ঘাটতি রক্তে শর্করার মাত্রাকে বাড়িয়ে দেয়, তাই প্রতিরাতে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।