5 Answers

তাকবীর আরবী শব্দ। অর্থঃ মহত্ম্য বা বড়ত্ব বর্ণনা করা। তাকবীর শব্দটি "কিবর" ধাতু থেকে নিষ্পন্ন। যার অর্থঃ গৌরব, মহিমা ইত্যাদি। "কিবর" থেকে এসেছে "কাবীর," যার অর্থঃ বড়। এবং "আকবার" মানে "সুমহান"। অর্থাৎ তাকবীর মানে "আল্লাহু আকবার"। এটি মুসলিমদের একটি শ্লোগান। যথাঃ "লিল্লাহি তাকবীর" (আল্লাহর মহাত্ম্য বলো)। আর এটি বাংলা, উর্দূ বা ফারসিতে বলে, "নারায়ে তাকবীর" (তাকবীর উচ্চ কর)।

9004 views Answered

নারায়ে তাকবীর অর্থ:- জোরে বলো

9004 views Answered

নারায়ে বলা ভুল। বরং نعرۂ تکبیر  অর্থাৎ না'য়রায়ে তাকবীর।  এটা ফার্সী বাক্য। যার অর্থ হলো: তাকবীর উঁচু করো।

মুফতি মুহাম্মদ আলী কাসেমী (ঢাকা)

9004 views Answered

না'রাহ একটি আরবী শব্দ। এর অর্থ ধ্বনি, আওয়াজ। তাকবীর অর্থ বড় করণ, বড়ত্ব বর্ণনা করা, গৌরব বর্ণনা করা, আল্লাহু আকবার বলা। সুতরাং নারায়ে তাকবী অর্থ আল্লাহর বড়ত্ব বর্ণনার ধ্বনি বা আওয়াজ।

9004 views Answered
Md Ariful Islam
বিএসসি(সিএসই), এমবিএ(মার্কেটিং)
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার Bissoy.com

ওয়াজ-মাহফিল ও ধর্মীয় সমাবেশে ‘নারায়ে তাকবির’ স্লোগান প্রায় শোনা যায়। নারায়ে তাকবির দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। ‘নারায়ে’ ও ‘তাকবির’। ‘নারায়ে’ শব্দটি ফারসি।

ফারসিতে এর সমকক্ষ আরেকটি শব্দ হলো ‘বাঙ্গ/বাং’। উর্দুতেও ‘নারা/নারায়ে’ শব্দের ব্যবহার আছে। এর অর্থ ধ্বনী বা উচ্চ আওয়াজ। আর দ্বিতীয় অংশ ‘তাকবির’ আরবি শব্দ।

এর অর্থ আল্লাহর বড়ত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করা, ‘তাকবির’ ধ্বনী দেওয়া ও ‘আল্লাহু আকবার’ বলা।
ফারসি/উর্দু ও আরবি শব্দের সংমিশ্রণে ‘নারায়ে তাকবির’ অর্থ হলো, ‘তোমরা উচ্চ আওয়াজে আল্লাহর বড়ত্বের ঘোষণা দাও।’

‘নারায়ে তাকবির’-এর পরিবর্তে কোথাও কোথাও বলতে শোনা যায়, ‘লিল্লাহে তাকবির’ অর্থাৎ আল্লাহর জন্য ‘তাকবির’ দাও। কোথাও কোথাও শুধু বলা হয় ‘তাকবির’।

‘নারায়ে তাকবির’ এই স্লোগান সরাসরি কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত হয়নি।

কিন্তু ‘তাকবির’ দেওয়া ইসলামের স্বতঃসিদ্ধ একটি বিধান। সুতরাং শব্দগুলোতে যেহেতু ইসলামবিরোধী কিছু নেই, তাই এই স্লোগান দেওয়া যায়। সর্বোত্তম হলো ‘লিল্লাহে তাকবির’ বলা।

মহান আল্লাহর বড়ত্ব ও মহিমা বর্ণনার সর্বোত্তম শব্দ ‘আল্লাহু আকবার’।

আল্লাহু আকবার এমন একটি বাক্য, যা অবিশ্বাসী, ইসলামবিদ্বেষী ও শয়তানের মনে প্রচণ্ড কম্পন সৃষ্টি করে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেন, শয়তান যখন সালাতের আজান তথা (আল্লাহু আকবারের আওয়াজ) শুনতে পায় তখন বায়ু ছাড়তে ছাড়তে পালাতে থাকে, যেন আজানের শব্দ তার কানে পৌঁছতে না পারে। মুয়াজ্জিন যখন আজান শেষ করে তখন সে ফিরে এসে (সালাত  আদায়কারীর) সংশয়-সন্দেহ সৃষ্টি করতে থাকে। সে পুনরায় যখন ইকামাত শুনতে পায়, আবার চলে যায় যেন এর শব্দ তার কানে না যেতে পারে। যখন ইকামাত শেষ হয় তখন সে ফিরে এসে (সালাত আদায়কারীদের অন্তরে) সংশয়-সন্দেহ সৃষ্টি করতে থাকে। (মুসলিম, হাদিস : ৭৪২)


9004 views Answered

Next steps