4 Answers

পর্যাপ্ত পরিমাণে সুষম খাদ্য।
19 views
সুস্থ শরীর ও স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য সুষম খাবার খাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুষম খাবার বলতে এমন খাবারকে বোঝায় যাতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টি উপাদান পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে। পুষ্টি উপাদানগুলিকে মোটামুটি ছয়টি ভাগে ভাগ করা যায়: শর্করা আমিষ চর্বি ভিটামিন খনিজ লবণ পানি সুস্থ শরীর ও স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিনের খাবারে এই ছয়টি পুষ্টি উপাদান পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকা উচিত। শর্করা শরীরের প্রধান শক্তির উৎস। এটি মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড, পেশী ইত্যাদি অঙ্গের স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য অপরিহার্য। শর্করার ভালো উৎস হলো চাল, গম, আলু, মিষ্টি আলু, ফল, শাকসবজি ইত্যাদি। প্রোটিন শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ, প্রোটিন, এনজাইম, হরমোন ইত্যাদি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয়। এটি শরীরের ক্ষয়পূরণ ও বৃদ্ধির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। প্রোটিনের ভালো উৎস হলো মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল, শিম, ছোলা ইত্যাদি। চর্বি শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় একটি পুষ্টি উপাদান। এটি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, কোষের গঠন, হরমোন তৈরি ইত্যাদির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে চর্বির পরিমাণ বেশি হলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। চর্বির ভালো উৎস হলো তেল, ঘি, মাখন, মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ইত্যাদি। ভিটামিন শরীরের বিভিন্ন জৈবরাসায়নিক বিক্রিয়ার জন্য অপরিহার্য। ভিটামিনের অভাবে বিভিন্ন রোগ হতে পারে। ভিটামিনের ভালো উৎস হলো ফল, শাকসবজি, দুধ, ডিম, মাছ ইত্যাদি। খনিজ লবণ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য অপরিহার্য। খনিজ লবণের ভালো উৎস হলো ফল, শাকসবজি, মাছ, মাংস, দুধ ইত্যাদি। পানি শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। এটি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, কোষের বৃদ্ধি, বিপাকক্রিয়া ইত্যাদির জন্য অপরিহার্য। পানি প্রতিদিনের খাবারের সাথে পর্যাপ্ত পরিমাণে পান করা উচিত। সুস্থ শরীর ও স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিনের খাবারে বিভিন্ন ধরনের খাবার থাকা উচিত। প্রতিদিনের খাবারে কমপক্ষে পাঁচটি রঙের ফল ও শাকসবজি রাখার চেষ্টা করা উচিত। এছাড়াও, প্রতিদিন দুধ, ডিম, মাছ, মাংস ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত। নিচে সুষম খাবারের একটি উদাহরণ দেওয়া হল: সকালের নাস্তা: দুধ, চিনি, ময়দা ছাড়া রুটি বা ওটস ফল দুপুরের খাবার: ভাত, ডাল, সবজি, মাছ বা মাংস বিকালের নাস্তা: ফল বা দুধ রাতের খাবার: ভাত, ডাল, সবজি, মাছ বা মাংস অবশ্যই, প্রতিটি মানুষের বয়স, শারীরিক অবস্থা, কাজের ধরন ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে খাবারের পরিমাণ ও ধরন পরিবর্তিত হতে পারে। তাই একজন পুষ্টিবিদের সাথে পরামর্শ করে আপনার জন্য উপযুক্ত খাদ্যতালিকা তৈরি করা উচিত।
19 views

ক্যালসিয়াম ও জিংক জাতীয় খাবার বেশি করে খান! 

19 views

প্রতিদিন

  1. দুধ
  2. ডিম
  3. কলা
  4. মাছ
  5. ছোল
  6. কিসমিস
  7. বাদাম
  8. দুগ্ধজাত খাবার: দুধ ও দই এর মতো দুগ্ধজাত খাবারে ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি জিংকও থাকে। ২৫০ মিলিলিটার লো ফ্যাট দুধে ১.০২ মিলিগ্রাম জিংক থাকে। আর ২৫০ মিলিলিটার দইয়ে থাকে ২.৩৮ মিলিগ্রাম জিংক। ডার্ক চকলেট: ডার্ক চকলেট যতো ডার্ক হবে, তাতে জিংকের পরিমাণ ততো বেশি থাকবে।
এছাড়াও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে লিস্ট তৈরী করে নিতে পারেন।
19 views

Related Questions