নিজের স্ত্রী, সন্তান, নাতি-নাতনি থাকা সত্ত্বেও; অন্য বিধবা মেয়ের সাথে দীর্ঘদিন যাবত পরকীয়া করার পর বিবাহ করলে, সম্পর্ক কি হালাল হবে?
নিজের স্ত্রী, সন্তান, নাতি-নাতনি থাকা সত্ত্বেও; অন্য বিধবা মেয়ের সাথে দীর্ঘদিন যাবত পরকীয়া করার পর বিবাহ করলে, ১. ইসলামের দৃষ্টিতে এই সম্পর্ক কি হালাল হবে? ২. এখন স্বামীর করণীয় কি? ৩. প্রথম স্ত্রীর করণীয় কি?
1 Answers
আসসালামু আলাইকুম। শুরুতেই আপনার প্রশ্নটি ২টি অংশে ভাগ করছি।
১ম অংশ,
পবিত্র কুরআনে ৫ নম্বর পারার সূরা নিসার প্রথম আয়াতে বলা হয়েছে, যে সকল মহিলারা বিবাহিত তাদের বিবাহের কোনও সুযোগ নেই। অতএব, কারও বিবাহিত স্ত্রীকে যদি কেউ বিবাহ করে সে বিবাহটি অবৈধ। কেউ যদি তার স্ত্রীকে তালাক দেন অথবা তার মৃত্যু হয়, তাহলে অন্য কেউ বিবাহ করতে হলেও সেক্ষেত্রে তাকে কমপক্ষে তিনমাস অপেক্ষা করতে হবে অথবা তিনটি পিরিয়ড তাকে অপেক্ষা করতে হবে, তারপর বিবাহ করা যাবে। অর্থাৎ, এ জাতীয় বিবাহ বিশুদ্ধ হওয়ার জন্য দুটি শর্ত। প্রথম শর্ত হল, বিবাহর জন্য প্রথম স্বামী থেকে ডিভোর্স নিতে হবে এবং সেই ডিভোর্সটা হতে হবে শরীয়াহ সম্মত পদ্ধতি অনুযায়ী। দ্বিতীয়ত হল, ডিভোর্সের পরে কমপক্ষে তিনমাস বা তিনটা পিরিয়ড অপেক্ষা করতে হবে তারপর অন্যত্র বিয়ে হতে পারে। এরমধ্যে যদি বিবাহ হয় তাহলে সে বিয়ে কোনও অবস্থাতেই বিশুদ্ধ হবে না।
আপনি বিবাহিত হয়ে যেনা করেছেন। যা ইসলামি খিলাফাত রাষ্ট্রের আইনে আপনার শাস্তি পাথর মেরে হত্যা করা। যেহেতু আমাদের দেশ খিলাফাত রাষ্ট্র নয়, তাই আপনি যদি নিজের পাপের জন্য অনুতপ্ত হন। আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করে খালেছ নিয়তে ক্ষমা চান। ইনশাল্লাহ আশা করাযায় আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করবেন। আল্লাহ'তাআলা পরম দয়ালু ও ক্ষমাশীল।
২য় অংশ,
প্রশ্ন-উত্তর ০১. শারিয়াহ মোতাবেক বিয়ে পরবর্তী স্ত্রীর সাথে সকল বৈধ জৈবিক কাজ হালাল।
প্রশ্ন-উত্তর ০২. উভয় স্ত্রীকে শারিয়াহ মোতাবেক সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
প্রশ্ন-উত্তর ০৩. কিছু আলেমদের মতে ১ম স্ত্রীর অনুমতি নেয়া উত্তম, কিন্তু জরুরি নয়।
(আল্লাহ মালুম)