2 Answers
অনেক আগে থেকেই প্রতিদিনের খাবারে তালিকায় মসুর ডাল বাঙ্গালির একটি জনপ্রিয় খাবার।ধনী কিংবা গরীব সকল পরিবারেই মসুর ডাল একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং মানসম্মত খাবার ।মসুর ডাল এতটাই পুষ্টিকর ও উপকারি যে এটিকে “গরীবের প্রোটিন ” নামে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। একে ইংরেজিতে রেড লেনটিল ও বলা হয়ে থাকে।মসুর ডালের গুনাগুন সম্পর্কে জানুন। অনেকেই শুধু মাত্র খাদ্য হিসেবেই মসুর ডালকে জানলেও এর রয়েছে শত উপকারী গুন। খাদ্য থেকে শুরু করে রূপচর্চা, স্বাস্থ্য সুস্থ রাখা সহ নানাবিধ উপকারে আসে এই মসুর ডাল,যা আমাদের কাছে অজানা।কিন্তু আমাদের জানা দরকার কিভাবে আমাদের নানাভাবে উপকারর আসে এই পুষ্টিকরী মসুর ডাল।মসুর ডালের গুনাগুন-আপডেট ২০২২ গুলো আলোচনা করা হলো। পুষ্টিগুনে ভরপুর এ ডালে প্রতি ১০০ গ্রাম রয়েছে ৫৯ গ্রাম শর্করা, ২৭০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন, ৬৯ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ০.৭ গ্রাম চর্বব, ৩৪৩ কিলোক্যালরি খাদ্য শক্তিসহ ২.১ গ্রাম খনিজ পদার্থ।

খাদ্য হিসেবে মসুর ডালের উপকারী দিকসমূহ -আপডেট ২০২২: মসুর ডাল একটি উদ্ভিজ্জ জাতীয় খাদ্যশস্য।তাই প্রাকৃতিক গুনে ভরপুর এ খাবার খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি উপকারিতা ও অনেক।পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবার হালিম তৈরিতেই এ ডাল ব্যবহার হয়ে থাকে।মশুর ডাল তরল জাতীয় খাবার হওয়ায় যে কোন রোগীর জন্য খাওয়া খুব সহজ। ডায়াবেটিস রোগিদের ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রন করতে এটি একটি কার্যকরী পথ্য।যারা নিয়মিত ব্যায়াম বা জগিং করে থাকে তাদের উচ্চচাপ নিয়ন্ত্রনে মশুর ডাল বেশ উপকারী। রূপচর্চা বা ত্বকের যত্নে মশুর ডালের ব্যবহার-আপডেট ২০২২: মানব ত্বকের জন্য মসুর ডাল কে ব্লিচিং এজেন্ট নামেও ডাকা হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন ত্বক সতেজ ও টানটান রাখতে একধরনের প্যাক ব্যবহার করা হয়ে থাকে যা দুধ, ডিম ও মসুর ডালের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়।আধুনিক নারী সমাজের পাশাপাশি মধ্যবর্তী,নিম্নবর্তী পরিবারের মেয়েদের মধ্যে এর অত্যাধিক ব্যবহার লক্ষনীয়। যারা দীর্ঘ সময় ধরে রোদে কাজ করে তারা ত্বকের পোড়া দাগ সরানোর জন্য মসুর ডালের সাথে শুকনো ফল যোগ করে ব্যবহার করে থাকে।বলা হয়ে থাকে পোড়াভাব কমানোর জন্য মশুর ডাল একটি উত্তর মাধ্যম। যাদের ত্বক অধিক সময় শুষ্ক থাকে তারা মধুর সাথে ডালের খোসা মিশিয়ে ব্যবহার করে থাকে।এছাড়া ত্বকে তৈলাক্তভাব দূরীকরনে মশুর ডালের বহুবিধ ব্যবহার আমাদের দেশে দেখা যায়। আমাদের দেশের অনেক ডাক্তাররা বলে থাকেন ত্বকে ব্রণ,অ্যালার্জি থাকলে এসব পদ্ধতি ব্যবহার না করাই অধিক উত্তম।
গর্ভাবস্থায় মসুর ডালের ভূমিকা-আপডেট ২০২২: মসুর ডালে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন B9(বি নাইন) রয়েছে যা ফলিক অ্যাসিড বহন করে, যা সুস্থ মস্তিষ্কের বিকাশের নিশ্চয়তা দেয় এবং স্পাইনা বিফিডা-এর মতো জন্মগত ত্রুটি প্রতিরোধ করে। একইভাবে, গর্ভবতী মহিলারা যারা তাদের গর্ভাবস্থায় এই ভিটামিনের পরিপূরক করেন তাদের অকাল প্রসবের সম্ভাবনা কম।
সকল প্রকার সমস্যার সমাধান পেতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন:https://sahazzo.xyz