2 Answers
প্রতিদিন নিয়মিত ৩ টি আমল আপনাকে নিয়ে যাবে জান্নাতে! ১- সকাল বিকাল ১ বার সাইয়েদুল ইস্তেগফার ২- প্রতি ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি ১ বার ৩- প্রতি রাতে ১বার সুরা মুলক পাঠ করা। সাইয়িদুল ইস্তিগফার (সাইয়েদুল ইস্তেগফার) বা ক্ষমা প্রার্থনার শ্রেষ্ঠ দো‘আঃ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এই দো‘আ পাঠ করবে, দিনে পাঠ করে রাতে মারা গেলে কিংবা রাতে পাঠ করে দিনে মারা গেলে, সে জান্নাতী হবে’। اَللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّىْ لآ إِلهَ إلاَّ أَنْتَ خَلَقْتَنِىْ وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوْذُبِكَ مِنْ شَرِّمَا صَنَعْتُ، أبُوْءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَىَّ وَأَبُوْءُ بِذَنْبِىْ فَاغْفِرْلِىْ، فَإِنَّهُ لاَيَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلاَّ أَنْتَ- উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা আনতা রববী লা ইলা-হা ইল্লা আনতা খালাক্বতানী, ওয়া আনা ‘আবদুকা ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাসতাত্বা‘তু, আ‘ঊযুবিকা মিন শার্রি মা ছানা‘তু। আবূউ লাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়া ওয়া আবূউ বিযানবি ফাগফিরলী ফাইন্নাহূ লা ইয়াগফিরুয্ যুনূবা ইল্লা আনতা। অর্থ : ‘হে আল্লাহ! তুমি আমার পালনকর্তা। তুমি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমার দাস। আমি আমার সাধ্যমত তোমার নিকটে দেওয়া অঙ্গীকারে ও প্রতিশ্রুতিতে দৃঢ় আছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট হ’তে তোমার নিকটে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমি আমার উপরে তোমার দেওয়া অনুগ্রহকে স্বীকার করছি এবং আমি আমার গোনাহের স্বীকৃতি দিচ্ছি। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা কর। কেননা তুমি ব্যতীত পাপসমূহ ক্ষমা করার কেউ নেই’। (বুখারী, মিশকাত হা/২৩৩৫ ‘দো‘আ সমূহ’ অধ্যায়-৯, ‘ইস্তিগফার ও তওবা’ অনুচ্ছেদ-৪।) আয়াতুল কুরসি: সূরা আল-বাকারাহ্ ২৫৫ প্রত্যেক সালাতের পর একবার। আর তা হচ্ছে, اللَّهُ لَآ إِلٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ ۚ আল্লাহ্, তিনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ্ নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সর্বসত্তার ধারক। আল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যূল কাইয়্যূমু لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ ۚ তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না, নিদ্রাও নয়। লা তা’খুযুহু সিনাতুঁও ওয়ালা নাউম। لَّهُ مَا فِى السَّمٰوٰتِ وَمَا فِى الْأَرْضِ ۗ আসমানসমূহে যা রয়েছে ও যমীনে যা রয়েছে সবই তাঁর। লাহূ মা-ফিসসামা-ওয়া-তি ওয়ামা ফিল আরদ্বি। مَنْ ذَا الَّذِى يَشْفَعُ عِندَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِۦ ۚ কে সে, যে তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর কাছে সুপারিশ করবে? মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইনদাহূ ইল্লা বিইযনিহী। يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ তাদের সামনে ও পিছনে যা কিছু আছে তা তিনি জানেন। ইয়া‘লামু মা বাইনা আইদীহিম ওয়ামা খালফাহুম। وَلَا يُحِيطُونَ بِشَىْءٍ مِّنْ عِلْمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ আর যা তিনি ইচ্ছে করেন তা ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কোনো কিছুকেই তারা পরিবেষ্টন করতে পারে না। ওয়ালা ইয়ুহীতূনা বিশাইইম মিন্ ইলমিহী ইল্লা বিমা শাআ। وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمٰوٰتِ وَالْأَرْضَ ۖ তাঁর ‘কুরসী’ আসমানসমূহ ও যমীনকে পরিব্যাপ্ত করে আছে; ওয়াসি‘আ কুরসিয়্যুহুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব। وَلاَ يَؤُودُهُ حِفْظُهُمَا ۚ আর এ দুটোর রক্ষণাবেক্ষণ তাঁর জন্য বোঝা হয় না। ওয়ালা ইয়াউদুহূ হিফযুহুমা وَهُوَ الْعَلِىُّ الْعَظِيمُ আর তিনি সুউচ্চ সুমহান। ওয়া হুয়াল ‘আলিয়্যূল ‘আযীম (নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল্লাইলাহ, নং ১০০; ইবনুস সুন্নী, নং ১২১। আর শাইখ আলবানী হাদীসটিকে সহীহুল জামে‘ ৫/৩৩৯ তে এবং সিলসিলাতুল আহাদীসিস সহীহা ২/৬৯৭, নং ৯৭২ তে সহীহ বলেছেন। ) আর আয়াতটি দেখুন, সূরা আল-বাকারাহ্-২৫৫।
সহজে জান্নাত লাভের উপায়- জান্নাত হলো মুমিনের চূড়ান্ত সফলতা। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘যাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেয়া হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে সে-ই সফলকাম।’ ( সূরা আলে ইমরান : ১৮৫) ইসলাম সর্বদা মানুষকে জান্নাতের জান্নাত পথ দেখায়। এতে এমন কিছু আমল রয়েছে যা মানুষকে খুব সহজেই জান্নাতে পৌঁছে দেয়। যেমন- ১. ইসলামী জ্ঞানার্জন : প্রিয় নবী সা: ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি জ্ঞানের খুঁজে কোনো পথে চলবে আল্লাহ তায়ালা তার জান্নাতের পথ সহজ করে দেবেন।’ (তিরমিজি : ২৬৪৬) ২. যথাসময়ে নামাজ আদায় : সময়মতো ও নিয়মিত নামাজ আদায় করলে, আল্লাহ তায়ালা তার প্রতি খুশি হয়ে তাকে জান্নাত দান করবেন। প্রিয় নবী সা: বলেন, ‘যে ব্যক্তি যথাযথভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবে এবং অবহেলা করে এর কোনোটি পরিত্যাগ করবে না, মহান আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানোর অঙ্গীকার করেছেন। আর যে ব্যক্তি তা ঠিকমতো পালন করবে না, তার জন্য আল্লাহর কাছে কোনো প্রতিশ্রুতি নেই। তিনি ইচ্ছা করলে তাকে শাস্তি দেবেন কিংবা জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।’ (সুনানে আবু দাউদ : ১৪২০) ৩. মা-বাবার খেদমত করা : যারা মা-বাবার খেদমত করবে তারা জান্নাত লাভ করবেন। আর যারা মা-বাবার অবাধ্য হবে এবং অবহেলা করবে তারা যাবে জাহান্নামে। প্রিয় নবী সা: বলেন, ‘যে ব্যক্তি মা-বাবা উভয়কে অথবা কোনো একজনকে বার্ধক্য অবস্থায় পেলো, তবুও সে জান্নাত অর্জন করতে পারল না, সে ধ্বংস হোক।’ (সহিহ মুসলিম : ৬৪০৪) ৪. আয়াতুল কুরসি পাঠ : রাসূলুল্লাহ সা: বলেন, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি তিলাওয়াত করবে, তার জান্নাতে প্রবেশের জন্য মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না।’ (সুনানুল কুবরা লিন্নাসায়ি : ৯৮৪৮) ৫. তাকওয়া অবলম্বন : তাকওয়া হচ্ছে, জান্নাত লাভের উৎকৃষ্ট উপায়। মহান আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি তার প্রভুর সামনে উপস্থিত হওয়াকে ভয় করে এবং নিজের অন্তরকে কুপ্রবৃত্তি থেকে দূরে রাখে, জান্নাতই হবে তার জন্য আসল ঠিকানা।’ (সূরা নাজিয়াত : ৪০-৪১) ।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy