2 Answers
সূরা লাহাবের শানে নুযুল সম্পর্কে বলা হলো: একদা রাসুলুল্লাহ (স.) সাফা পর্বতে আরোহণ করে কুরাইশদের ডাক দিলেন।তৎকালীন সময়ে আরবে বিপদাপদের ক্ষেতে এভাবে আহ্বান করার প্রচলন ছিল।তাই রাসুল (স.)-এর ডাকে সকলেই পাহাড়ের পাদদেশে সমবেত হলো।রাসুলুল্লা (স.) বললেন,আমি যদি বলি যে এ পাহাড়ের অপর পাশে একটি শত্রুদল তোমাদের দিকে এগিয়ে আসছে।যেকোনো সময় তারা তোমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে।তাহলে তোমরা কি তা বিশ্বাস করবে? সকলেই সমস্বরে বলল,হ্যাঁ, অবশ্যই আমরা বিশ্বাস করব। এরপর রাসুলুল্লাহ (স.) বললেন,আমি তোমাদের এক ভীষণ শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করছি। (তোমরা স্বীকার কর যে, আল্লাহ ব্যাতীত কোনো মাবুদ নেই এবং মূর্তিপূজা ত্যাগ কর।) রাসুলুল্লাহ (স.)-এর এ দাওয়াত শুনে আবু লাহাব বলে উঠল-তোমার ধ্বংস হোক।এজন্যই তুমি আমাদের একত্রে করেছ? অতপর আবু লাহাব রাসুল (স.)-কে পাথর মারতে উদ্যয় হয়।আবু লাহাবের এ কথা ও কাজে অসন্তুষ্ট হয়ে আল্লাহ তায়ালা এ সূরা নাজিল করেন। (সহিহ বুখারি)
আল্লাহ্ একটি আয়াত অবতীর্ণ করলে রসূলুল্লাহ্ সাফা পর্বতে আরোহণ করে কোরাইশ গোত্রের উদ্দেশে আবদে মানাফ ও আবদুল মোত্তালিব ইত্যাদি নাম সহকারে ডাক দিলেন। এভাবে ডাক দেয়া তখন আরবে বিপদাশংকার লক্ষণ রূপে বিবেচিত হত। ডাক শুনে কোরাইশ গোত্র পর্বতের পাদদেশে একত্রিত হল। রসূলুল্লাহ্ বললেনঃ যদি আমি বলি যে, একটি শত্রুদল ক্রমশঃই এগিয়ে আসছে এবং সকাল বিকাল যে কোন সময় তোমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে, তবে তোমরা আমার কথা বিশ্বাস করবে কি? সবাই একবাক্যে বলে উঠলঃ হাঁ, অবশ্যই বিশ্বাস করব। অতঃপর তিনি বললেনঃ আমি (শিরক ও কুফরের কারণে আল্লাহ্র পক্ষ থেকে নির্ধারিত) এক ভীষণ আযাব সর্ম্পকে তোমাদেরকে সতর্ক করছি। একথা শুনে আবু লাহাব বললঃ ধ্বংস হও তুমি, এজন্যেই কি আমাদেরকে একত্রিত করেছ? অতঃপর সে রসূলুল্লাহ্ -কে পাথর মারতে উদ্যত হল। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সূরা লাহাব অবতীর্ণ হয়।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy