2 Answers
কিন্তু কেউ দিনে বা রাতে নির্দিষ্ট করে ২০ জন ব্যক্তিকে সালাম দিলে এবং সে দিন বা রাতে মৃত্যু বরণ করলে জান্নাতে প্রবেশ করবে-এ বিষয়ে বর্ণিত হাদিসটি সহিহ নয়। মুহাদ্দিসদের দৃষ্টিতে এ সংক্রান্ত হাদিসটি যইফ বা দুর্বল৷ এর বর্ণনা সূত্রে মাসলামা বিন আলি নামক একজন বর্ণনাকারী আছে। সে যঈফ বা দুর্বল বলেছেন৷ অনুরূপভাবে ত্ববারানীও উক্ত বর্ণনাকারীর কারণে এ হাদিসটিকে যইফ (দুর্বল) বলেছেন।
ইসলামে সালাম দেয়া অত্যন্ত ফযিলত পূর্ণ আমল। তাই বহু হাদিসে এর প্রতি পর্যাপ্ত গুরুত্ব এসেছে। সালামের বিনিময়ে ১০ থেকে ৩০টি পর্যন্ত নেকি লেখা হয়। এটি মুসলিমদের মাঝে পারস্পারিক ভালবাসা ও ভ্রাতৃত্ব বোধ সৃষ্টির অন্যতম সেরা উপায়। আর মুসলিমদের মাঝে পারস্পারিক ভালবাসা ও ভ্রাতৃত্ব ছাড়া জান্নাতে প্রবেশ করা সম্ভব নয়। তাছাড়া অধিক পরিমাণে সালামের সম্প্রসারণকে নিরাপদে জান্নাতে প্রবেশের ৪টি কারণের অন্যতম একটি কারণ হিসেবে হাদিসে উল্লেখিত হয়েছে।কিন্তু কেউ দিনে বা রাতে নির্দিষ্ট করে ২০ জন ব্যক্তিকে সালাম দিলে এবং সে দিন বা রাতে মৃত্যু বরণ করলে জান্নাতে প্রবেশ করবে-এ বিষয়ে বর্ণিত হাদিসটি সহিহ নয়। মুহাদ্দিসদের দৃষ্টিতে এ সংক্রান্ত হাদিসটি যইফ বা দুর্বল। হাদিসটি হল, مَن سلَّم على عشرينَ رجلًا من المسلِمينَ في يومٍ جماعةً أو فُرادى ثُمَّ مات من يومِه ذلك وجَبَت له الجنَّةُ وفي ليلةٍ مثلُ ذلك যে ব্যক্তি একদিনে ২০ জন মুসলিম কে সালাম দিবে- চায় তারা দলবদ্ধ থাকুক অথবা পৃথক থাকুক- এরপর সে যদি ঐদিন মৃত্যুবরণ করে তাহলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। রাতেও অনুরূপ।ইমাম হায়সামি মাজমাউয যাওয়ায়েদ গ্রন্থে (৮/৩৩) এ হাদিসটি উল্লেখ করার পর বলেন, এর বর্ণনা সূত্রে মাসলামা বিন আলি নামক একজন বর্ণনাকারী আছে। সে যঈফ বা দুর্বল।অনুরূপভাবে ত্ববারানীও উক্ত বর্ণনাকারীর কারণে এ হাদিসটিকে যইফ (দুর্বল) বলেছেন।যাহোক, আমাদের কর্তব্য, দিন-রাত যে কোনও সময় কোনও সংখ্যা নির্দিষ্ট না করে পরিচিত-অপরিচিত সর্বস্তরের মুসলিমদের যথাসম্ভব অধিক পরিমাণে সালাম বিনিময় করা।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy