2 Answers

স্বাভাবিক নিয়মেই খাবার পর কিছু খাবার দাঁত ও মাড়ির মাঝের খাঁজ, যেটাকে gingival crevice বলে,সেখানে আটকে যায়। নিয়মিত ঠিকভাবে ব্রাশ করলে সেটা চলেও যায়। কিন্তু যদি এই সামান্য খাবার এর অংশ লেগে থাকা অবস্থায় ব্রাশ না করা হয় তাহলে সেটা কিছুটা শক্ত হয়ে যায়।একে বলে প্লাক (plaque)। এই কিছুটা শক্ত হয়ে যাওয়া প্লাক এর কিছু অংশ পরবর্তীতে ব্রাশের সাথে উঠতে চায়না। আর প্রত্যেকবার এরকম একটু একটু প্লাক জমে শক্ত হয়ে তৈরি হয় ক্যালকুলাস(calculus)। সহজ বাংলায় পাথর। আর এজন্যই স্কেলিং করা প্রয়োজন ৷ স্কেলিং করার সময় এসব অপ্রয়োজনীয় পদার্থ তুলে দাঁত পরিস্কার করা হয়৷ তাতে দাঁত ভালো থাকে৷ 

7831 views

আমরা প্রতিদিন যে খাবার খাই তা দাঁতের চারপাশে জমা হয়। যদি আমরা সঠিক পদ্ধতিতে ও নিয়মিতভাবে দাঁত পরিষ্কার না করি তাহলে এসব খাদ্যকনাগুলো দাঁতের আবরন “পেরিওডেনটাল মেমব্রেনের” উপর শক্ত হয়ে জমে থাকে।এভাবে জমে জমে একসময় পাথরের মতো সৃষ্টি করে।একে ডেন্টাল সাইন্সে ক্যালকুলাস বলে।এইসব পাথর দীর্ঘদিন জমে থাকলে তা একসময় দাঁতের মেমব্রেনটিকে নষ্ট করে ফেলে এবং দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন রোগ যেমন জিনজিভাইটিস পেরিওডনটাইটিস, মাড়ি হতে রক্ত পড়া, মুখে দুর্গন্ধ, দাঁত শিরশির সহ নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করে। দীর্ঘদিন যদি এই জমে থাকা ক্যালকুলাস প্ল্যাক রিমুভ না করা হয় তাহলে একসময় ঐ দাঁতে ক্যারিজ হয়ে যায়। তাই এই ক্যালকুলাস রিমুভ করার জন্যে প্রতি ছয় মাস পরপর একজন অভিজ্ঞ ডেন্টিস্ট এর পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক। তিনি আপনার দাঁত পরীক্ষা করে বলবে আপনার দাঁত স্কেলিং করা দরকার কিনা? এছাড়াও আমাদের দেশে অনেকে তামাক জাতীয় দ্রব্য যেমন বিড়ি সিগারেট পান সাদা পাতা জর্দা গুল সেবন করে যার ফলে দাঁতে বিশেষ করে সামনের দাঁতে কালো বা বাদামি দাগ পড়ে। প্রাথমিক অবস্থায় এইসব দাগ দূর করার জন্যে স্কেলিং খুবই আবশ্যক। সুতরাং স্কেলিং করলে দাঁত দুর্বল হয় না বরং তা মাড়ির রোগকে প্রতিরোধ করে যাতে মাড়ি হতে রক্ত পড়া, মুখে দুর্গন্ধ, দাঁত শিরশির করা ইত্যাদি সবই ঠিক হয়ে যায়।

7831 views

Related Questions