1 Answers

বিদ্যালয়গুলোতে কিশোর কিশোরীদের যৌন শিক্ষা দেওয়াটা ঠিক নয়৷ কেননা এসময় তাদের যৌন হরমোন বেশি উৎপাদন হয়ে থাকে, যৌন অংগ গুলো পরিপক্ব বা সুগঠিত হয়ে থাকে৷ তাই বিপরীত লিংগের প্রতি আকর্ষণ বাড়তে থাকে৷ এমন সময় যদি যৌন শিক্ষা দেন তাহলে তো আগুনে তেল ঢালার মত হয়ে গেল৷ হাইস্কুল জীবনে একটা পড়া পড়েছিলাম, নামটা মনে নেই কিন্তু একটা লাইন মনে আছে৷ সেটা হলো- হাতে অস্ত্র থাকলে নিরীহ মানুষেরও চোখ পড়ে বনের নিরীহ পশু পাখির দিকে৷ ঠিক তেমনি কিশোর কিশোরীরা যখন বুঝতে পারবে বা জানতে পারবে তাদের যৌনাঙ্গের কাজ বা ব্যববহারবিধি সম্পর্কে তখন তারাও সেটা ব্যবহার করার জন্য উঠে পড়ে লাগবে৷ এটাই চরম সত্য কথা৷ এতে করে সমাজে জেনা ব্যাভিচার, ধর্ষণ আরো বেড়ে যাবে৷ তাছাড়া ইসলাম ধর্মে এটা লজ্জাস্থান নামে পরিচিত যার সম্পর্কে আলোচনা করাটাও লজ্জার ব্যাপার যা আমাদের সমাজে প্রচলিত নয় বা সমাজ সেটাকে ভালো চোখে দেখেনা৷ আর এই লজ্জাকে যদি ভেঙ্গে ফেলা হয় তখন তা ভয়ানক রুপ ধারন করতে পারে৷ কারন সমাজে যত খারাপ কাজ হয় এবং যারা করে করে তাদের লজ্জা নেই৷ যদি লজ্জা থাকতো তাহলে জানাজানি হবে, লজ্জা লাগবে এই ভয়ে খারাপ কাজ করত না৷ ইসলাম ধর্মে আছে যখন দুজন পরিচিত বা অপরিচিত ছেলে মেয়ে বা নারী পুরুষ কাছাকাছি থাকে তখন তাদের মাঝে শয়তান এসে তাদের মনকে উস্কে দেয় জেনা ব্যাভিচার করার জন্য৷ এতে করে যারা নিজেকে সংযত করতে পারে তারা হয়তো শারীরিক মিলন থেকে বিরত থাকে কিন্তু যারা পারেনা তারা জেনা করেই ফেলে৷ আমাদের মানুষের একটা কমন বৈশিষ্ট্য আছে সেটা হলো যে আমরা ভালো কাজের থেকে খারাপ কাজে বেশি আকৃষ্ট হই৷ তাই যখন কিশোর কিশোরীরা অন্ধকার যৌন জীবন থেকে বেড়িয়ে আসবে তখন তারা অনায়াসে যৌন জীবনকে উপভোগ করতে চাইবে৷ যদিও তাদের বলা হবে এটা খারাপ কাজ৷ যেমন: প্রতিদিন যদি কেউ সিগারেট নিয়ে নাড়া চাড়া করে তাহলে কোন না কোন একদিন মনে সাধ জাগবে যে — আজকে সিগারেট একটু খাই, একদিন খেলে আর কী বা ক্ষতি হবে? অনেকেই তো খায়, কই কারো তো তেমন কোন ক্ষতি হচ্ছে না ৷ এটাই বাস্তব সত্য৷ তেমনি কিশোর কিশোরীদের যৌন জীবন সম্পর্কে খোলামেলা আলোচনা করলে তারাও শুনতে শুনতে কোন এক পর্যায়ে ভাববে একটু ব্যবহার করেই দেখি, একটু মজা নিয়েই দেখি কী আর এমন হবে তাতে? আমার দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি আমার মত করে বোঝানোর চেষ্টা করলাম৷ জানিনা কতুটুকু সফল হয়েছি৷

9264 views

Related Questions