3 Answers
ইসলামে কোরআন ও হাদিসে কোথাও পরিষ্কারভাবে এর সম্পর্কে কিছু বলা নেই৷ তবে রাসুলুল্লাহ (সা) এর একটি হাদিস থেকে আমরা পাই- তোমরা পশুর মত সেক্স করো না। আর আমরা জানি পশুরা কখনও ওরাল সেক্স করে না। এই কথা থেকে ফোর প্লে এবং সেক্সের সময় হাসাহাসি বা মজা করার প্রতি উৎসাহ যোগানো হয়েছে। ওরাল সেক্স বা মুখ মৈথুন ফোর প্লের একটি বিষয়মাত্র। এর মাধ্যমে পারস্পরিক ভালোবাসা গভীর হয়। স্বাভাবিক যৌনমিলনের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি করে। যার ফলে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কও ভালো হয়। এ থেকেই এর বৈধতা ও গুরুত্বের প্রমান পাওয়া যায়। নবী (সাঃ) বললেন, নিশ্চয়ই আল্লাহর কিতাবে যা হালাল বলে উল্লেখ করা হয়েছে তা হালাল, আর আল্লাহর কিতাবে যা হারাম বলে উল্লেখ করা হয়েছে তা হারাম। আর যে সব বিষয়ে অনুল্লেখিত রয়েছে সেগুলো তার ভুলে যাওয়া নয়, সেগুলো তার ক্ষমা। সেগুলো নিয়ে তর্ক করো না।( বায়হাকিঃ ১০/১২২, দারে কুতনী ৪/১৯৯,) হাদিসের মানঃ হাসান সহিহ৷ কুরআন থেকে কিছু দলিলঃ আল্লাহ কুরআনে বলেন--তোমাদের স্ত্রীরা হলো তোমাদের জন্য শস্য ক্ষেত্র। তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তাদেরকে ব্যবহার কর। (সূরা বাকারাঃ ২২৩) অর্থাৎ স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সব বৈধ। ওরাল সেক্স বা মুখ মৈথুনও হালাল। শুধুমাত্র এনাল সেক্স নিষিদ্ধ। আর পিরিয়ডের সময় সর্ব প্রকার সেক্স নিষিদ্ধ। কারন এই দুই বিষয়ে স্পষ্ট নিষেধ আছে কুরআন ও হাদিসে। এছাড়া বাকি সব বৈধ বা হালাল।
অবশ্যই জায়েজ। এই বিষয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে কিছু আলেমের মাধ্যমে। তারা একটা মত দিয়েছে আর তাই একচেটিয়া ভাবে প্রচার করা হয়েছে। যারা বিপরীত মত দলিল সহকারে উপস্থাপন করেছে তাদেরকে থামিয়ে দেয়া হয়েছে। যেমন রিপোর্ট করে আইডি ডিজেবল করে দেয়া, গ্রুপ থেকে ব্লক ইত্যাদি। আমাদের উচিৎ লেখার প্লাটফর্ম তৈরি করে দেয়া। ওরাল সেক্সের বৈধতার দলিল ও যুক্তিগুলো বেশি করে ফেইসবুকে তুলে ধরা। আমাকে সুযোগ করে দিলে আমিও কাজ করতে পারি। কেউ আমাকে ফেইসবুক আইডি খুলে দিতে পারেন। -মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ