2 Answers

আত্নীয়দের মধ্যে বিয়ে না করাই সবচেয়ে উত্তম হবে আমার মতে। এর উদাহরণ রয়েছে আমার নিজের পরিবারের মধ্যেই। যেমন আমার নিজের চাচা তার মামাতো বোনকে বিয়ে করেছিলেন।তাদের একটা ছেলে রয়েছে,সে একটু এব নরমাল টাইপের।এরকম আরো অনেক উদাহরণ আছে দিতে পারি। তবে সবার বেলায় যে সমস্যা হবেই হবে সেটাও ঠিক না। এটা অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে।এবার আসল কথায় আসি। আমাদের যে কোন ক্রমোসোম দুই সেট করে থাকে যেখানে দুই সেটের জিন গুলো একই হয়। কিছু কিছু জেনেটিক রোগ থাকে যেগুলোর জন্য দায়ী জিন যেকোন এক সেটে থাকলেই রোগ হয়ে যায়----যেগুলোকে বলে ডমিন্যান্ট জিন। কিন্তু আমাদের বেশির ভাগ জেনেটিক রোগই রেসেসিভ অর্থাৎ যদি না দুই সেটেই সে একই জিনগুলোর উপস্থিতি থাকে অথবা দুই সেটই একই ধরণের কোন জিন অনুপস্থিতি বা ডিফেক্ট থাকে, তবে রোগ হয় না। এখন, আত্নীয় হয়ে থাকলে (বিশেষ করে বাপের সাইটের, কারণ পুরুষতান্ত্রিক সমাজের মত জেনেটিক লেভেলরও সাধারণত বাপের জিনগুলো মায়ের জিনের উপর খবরদারি করে থাকে) ঝুকি বেশি থাকে। ধরা যাক, আমার যে কোন ক্রমোসোমের দুইসেটের একটাতে রেসেসিভ কোন একটা জিন আছে। এখন আমার পার্টনার যদি আমার আত্নীয় হয়ে থাকে তবে তারও ওই ক্রমোসোমের দুই সেটের যেকোন একটাতে ডিফেক্ট থাকতে পারে। ফলে এমন একটা সম্ভাবনা থেকে যায় যে আমাদের এমন সন্তান হবে যার ওই ক্রমোসোমের দুটো সেটই বাবা আর মায়ের ডিফেকটিভ সেট থেকে পেয়ে সে ওই রোগে আক্রান্ত হলো। তাছাড়া একই আত্নীয়তে বিয়ে হলে জেনেটিক ভেরিয়েশন আসে না। আমার যে দূর্বলতা সেটা থেকে যাবেই। যদি অনাত্নীয় বিয়ে করি তবে জেনেটিক ভেরিয়রশনের কারণে একটা স্পেসেফিক পয়েন্টে আমার পরবর্তী প্রজন্মের সেই স্পেসেফিক দূর্বলতা কেটে যেতে পারে । আরো অনেক অসুবিধার পয়েন্ট আছে যেগুলো এখানে স্বল্প পরিসরে ব্যাখা করা যাবে না।

10384 views

কিছু রোগের জন্য দায়ী জিন মা-বাবা দুজনের মধ্যে থাকলে, তাঁদের সন্তানও একই অসুখে আক্রান্ত হয়। তবে মা অথবা বাবার যেকোনো একজনের শরীরে এমন জিন থাকলে, সন্তানের সেই রোগ হয় না। নিকটাত্মীয়ের মধ্যে একই ধরনের জিনগত ত্রুটি থাকার আশঙ্কা থাকে। এ রকম আত্মীয় নারী-পুরুষের বিয়ে হলে তাঁদের সন্তানেরও সেই জিনগত রোগ হতে পারে।

10384 views