1 Answers

সাধারণ সিগারেটে যে নিকোটিন থাকে, ইলেক্ট্রিক সিগারেটেও সেই একই নিকোটিন ব্যবহার করা হয়। এবং এই নিকোটিন নেশা উদ্রেককারী পদার্থ। এই নিকোটিনের কারণে আপনার বার বার ইলেক্ট্রনিক সিগারেট টানতে ইচ্ছে করবে। কিছু কিছু ইলেক্ট্রিক সিগারেট ব্র্যান্ড আছে যাতে শুধু নিকোটিনই না, সাথে ফরমাল্ডিহাইড এবং শীতকালে লিকুইড জমে যাওয়া রোধে আরো কিছু কেমিক্যাল ব্যাবহার করা হয়। এসবের প্রভাবে ক্যান্সারের ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাচ্ছে। ব্যবহৃত কেমিক্যালের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য ক্যামিকেল হচ্ছে ডাইঅ্যাসিটাইল। এই ডাইঅ্যাসিটাইলের প্রভাবে ফুসফুসের জটিল রোগ হতে পারে। ইলেকট্রিক সিগারেটে থাকা আরেক ধরেনের কেমিক্যাল আমাদের ধমনীকে ক্ষতিগ্রস্থ করে। ফলে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও স্ট্রোকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আর যদি আগে থেকেই অতিরিক্ত ওজন, উচ্চ রকচাপ বা হৃদরোগ থাকে তাহলে এসব কেমিক্যাল ধমনীকে আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে। এছাড়া আপনি যে ধোঁয়া ছাড়ছেন তাতে অন্য হৃদরোগীসহ যারা আপনার আশে পাশে আছে, তারা ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। বিশেষ করে আপনার ছাড়া ধোঁয়ার প্রভাবে আশেপাশের শিশুদের মস্তিষ্কের বৃদ্ধি বাঁধাপ্রাপ্ত হয়, স্মরণশক্তি ও মনোযোগের ব্যাঘাত ঘটে।  

8038 views Answered

Next steps