2 Answers

প্রতিটি সুস্থ্য পুরুষ মানুষের স্বপ্নদোষ একটি স্বাভাবিক বিষয়। পুরুষের অন্ডথলিতে সর্বদা শুক্রানু তৈরি হচ্ছে, আবার আয়ু শেষে তা মারা যাচ্ছে। এই মরে যাওয়া শুক্রানূগুলো দেহ থেকে নিষ্কাশনের জন্য স্বপ্নদোষ হয়ে থাকে। এটি খারাপ নয় বরং সুস্থ্য পুরুষত্বের লক্ষন।তবে আপনার যদি ঘন ঘন কিংবা অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হয়ে থাকে তাহলে একজন ভালো ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

5612 views Answered

স্বপ্নদোষ যেন না হয় এর করণীয়ঃ ১) ঘুমানোর আগে ওযু করে পবিত্র হয়ে ঘুমাতে হবে ।ওযু করলে শয়তান দূরে থাকে । এতে করে স্বপ্নদোষ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না । ২) ঘুমাতে যাওয়ার আগে “আল্লাহুম্মা বিসমিকা আমুতু আহইয়া অর্থাৎ হে আল্লাহ্! আপনার নামে মৃত্যুবরণ করছি এবং আপনার নামেই পুর্নজীবিত হই । (বুখারী, হা/6312) ৩) দুই হাতের তালু একত্রে করে এর মধ্যে সুরা ইখলাস, ফালাক ও নাস তিনবার করে পাঠ করে ফু দিবে.পরে পুরো শরীর মুছে দিবেন, যতদুর সমভব (মাথা ও মুখ মনডল সহ) (বুখারী,হা/5017) ৪) আয়াতুল কুরসী পাঠ করা । (বুখারী,হা/3275) ফজিলত – একজন ফেরেশতা নিয়োগ করে দেন বান্দার উপকারে ।এতে করে শয়তান কোনো ক্ষতি করতে পারে না । ৫) ডান কাতে শুয়ে ও ডান হাত গালের নিচে দিয়ে নিচের দোয়াটি পড়বেন. আল্লাহুম্মা কিনি’ইআযা- বাকা ইয়াওমা তাবআসু ইবাদাকা অর্থাৎ হে আল্লাহ! যেদিন আপনি আপনার বান্দাগণকে পুর্নজীবিত করবেন. সে দিনের (পরকালীন) আযাব হতে আমাকে বাচান ।তিনবার পড়তে হবে । (আবু দাউদ,/5045; তিরমিযী,হা/3398) [বিঃদ্রঃ উপুড় হয়ে ঘুমালে স্বপ্নদোষ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ।এজন্য কাত হয়ে ঘুমাতে হবে ।] ৬) সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত (২৮৫ ও ২৮৬) পাঠ করবেন । বুখারী ও মুসলিমে আছে, যে বেক্তি এই দুই আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য এই আয়াত দুটোই যতেষ্ট হবে । মানে বিপদাপদ ও শয়তানের অনিষ্ঠ থেকে রক্ষা পাবে। (বুখারী,হা/5009 ও মুসলিম,হা/807)

5612 views Answered

Next steps