1 Answers
হাদিস শরীফে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো অন্তরায় থাকে না। -শুআবুল ঈমান : ২৩৯৫। প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর এ আমল করা কোনো কঠিন বিষয় নয়। আয়াতুল কুরসি আমরা অনেকেই মুখস্থ পারি। যারা পারি না, তারাও মুখস্থ করে নিতে পারি। আয়াতুল কুরসি কোরআন শরীফের তৃতীয় পারার প্রথম পৃষ্ঠার একটি আয়াত। সূরা বাকারার ২৫৫ নং আয়াতটিই হলো আয়াতুল কুরসি। এ আয়াত তেলাওয়াত করতে বেশি হলে এক মিনিট সময় লাগতে পারে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে পাঁচ মিনিট। দৈনিক ২৪ ঘণ্টা সময় থেকে মাত্র পাঁচ মিনিট সময় ব্যয় করলে এক মহাপুরস্কার লাভ করা সম্ভব হবে। যেকোনো মুসলমান নারী বা পুরুষ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পর এ আয়াতুল কুরসি তেলাওয়াত করলে মৃত্যুবরণ করার সঙ্গে সঙ্গেই জান্নাত লাভ করবে। এ হাদিসের ওপর আমলকারী ব্যক্তির জান্নাত লাভে বাধা কেবল মৃত্যু। এ কথা স্পষ্ট, আল্লাহ তায়ালা যে ব্যক্তিকে মৃত্যুর পর জান্নাত দেবেন, তাকে অবশ্যই মৃত্যুর সময় ঈমান নসিব করবেন। আয়াতুল কুরসি তেলাওয়াতের আরও ফায়দা রয়েছে- রাতে ঘুমানোর সময় আয়াতুল কুরসি তেলাওয়াত করে ঘুমালে আল্লাহ তায়ালা সকল প্রকার বালা-মসিবত থেকে হেফাজত করেন।