2 Answers

বিয়ের আগে প্রেম/ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে তোলা ইসলামী দৃষ্টিতে বৈধ নয় এই জন্য যে, ইসলামী বিধি-বিধান অনুযায়ী কোন পরনারী কোন পরপুরুষের সান্নিধ্যে আসতে পারে না। এমন কি দেখা/সাক্ষাৎ বা ফোন, নেট ইত্যাদির মাধ্যমে কথা বলাও যাবে না। ইসলামী দৃষ্টিতে এগুলো এক প্রকার যিনা বা ব্যাভিচারের মধ্যে পড়ে। এমনকি মনে মনে কল্পনা করে তৃপ্তি অনুভব করাও এক প্রকার যিনা। যা হারাম এবং কবিরাহ গুনাহ।মুসলিম: ২/৩৩৬ ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত তিনি বলেন রাসুল (সা.) বলেছেন, কোন পরপুরুষের সাথে কোন পরনারী নির্জনে আসতে পারে না। কোন স্ত্রীলোক কোন মাহরাম ব্যাক্তি ব্যতীত অন্য কারোর সাথে সফর করতে পারে না।। এমন সময় এক ব্যাক্তি জানতে চাইলেন যে, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সা.) অমুক অমুক যুদ্ধের জন্য আমার নাম তালিকাভুক্ত হয়েছে কিন্তু আমার স্ত্রী হজ্জে যাবে? তখন রাসুল (সা.) বললেন তবে যাও তুমি তোমার নিজ স্ত্রীর সাথে হজ্জ কর।সহিহ বুখারি: ২৭৯৮ আশা করি রেফারেন্সসহ যথাযথ উত্তর পেয়েছন... ধন্যবাদ ই-নলেজের পাশেই থাকুন..!

3780 views

কিন্তু আল্লাহ তা’আলা বলেন, . وَلَا تَقْرَبُوا ٱلزِّنَىٰٓۖ إِنَّهُۥ كَانَ فَٰحِشَةً وَسَآءَ سَبِيلًا . আর যিনা-ব্যভিচারের কাছেও যেও না, তা হচ্ছে অশ্লীল কাজ আর অতি জঘন্য পথ। (সুরা বনী ইসরাঈল- ৩২) . এখানে যিনা-ব্যভিচার করা তো দূরের কথা এর ধারে কাছেও যাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। সুতরাং আমরা যে যতই যুক্তি দেখাই সব কিছুর জন্য কুর’আনের এই একটি আয়াতই যথেষ্ট। এখানে আর কিছু বলার আছে বলে মনে হয় না। আর তাছাড়া আপনি যাই বলুন না কেন, হারামকে হালাল করতে পারবেন না। যা হারাম তা সকল অবস্থাতেই হারাম। আর ইবাদাত যদি আল্লাহর সন্তুষ্টিরর জন্য হয়, তাহলে এইসব লেইম এক্সকিউজের তো দরকারই পড়েনা। . অনেকে আবার বলেন সবই তো জানি, বুঝি কিন্তু এত ভালোবাসি যে ফিরে আসতে পারিনা। তাহলে বলবো এইসব ভালোবাসার থেকে আমার রবের ভালোবাসা অনেকদামী। কুর’আনুল কারিমে আল্লাহ তা’আলা বলেছেন: . আর যারা বিশ্বাসী তাঁর আল্লাহকে অন্য সবকিছুর চেয়ে বেশি ভালবাসে। (সুরা বাকারাহ, ১৬৫) . তাঁর ভালোবাসার সামনে দুনিয়াবি এইসব নকল, নোংরা ভালোবাসার আদৌ কি কোন মুল্য আছে?? বরং এইটাতে শুধু মনের শান্তি নষ্ট হয়ে যায়। অন্তর তাঁর স্মরণ থেকে গাফেল হয়ে যায়। . এ সম্পর্কে আল্লাহ তা’আলা বলেন, যে আমার স্মরন হতে মুখ ফিরাবে, তার জন্য রয়েছে সংকীর্ণ জীবন। (সুরা ত্বহা-১২৪)

3780 views