2 Answers
ধন্যবাদ প্রশ্নটি করার জন্য, কিন্তু মজার ব্যাপার হল সুয়েজ খাল কে খনন করেছে এটা জানতে হলে আমাদের অনেক পেছনে ফিরে জেতে হবে। কথিত আছে খ্রিস্টপূর্ব ১৮৯৭ থেকে ১৮৩৯ সালের মধ্যবর্তী সময়ে এই খাল খননের কাজ প্রথম শুরু করেন ফারাও রাজা দ্বিতীয় নিকো, কাজ শুরুর পর তিনি স্বপ্নে দেখেন এই খাল মিশরের জন্য বিপদ বয়ে আনবে তাই তিনি এর নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন। তারপর এই খাল খননের কথা ভাবেন পারস্যের শাসক প্রথম দারিয়াস। এরপর অনেকদিন আর কেও এই খাল খননের কথা ভাবেননি। এরিস্টটলের লিখিত বক্তব্যেও এই খাল খননের কথা উল্লেখ পাওয়া যায়। ষোলশ শতকের দিকে তুরকি প্রধানমন্ত্রী মুহম্মদ পাশা (১৫৬৫-১৫৭৯) সেয়েজ খাল খননের চিন্তা করেন। কিন্তু মিশরীয়দের কুসংস্কার, ব্যয় বহনে অস্বীকৃতি এবং প্রকল্প দীর্ঘমেয়াদি হবার কারনে বাস্তবায়ন সম্ভব হয়না। এরপর ১৭৯৮ সালে লেপোলিয়ন বনাপারট মিশর অভিযানে আসার পর ভুমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা বোধ করেন কিন্তু দুই সাগরের পানির উচ্চতার পার্থক্য ১০ মিটার হওয়ার কারনে তিনি এই চিন্তা বাদ দেন। আধুনিক সুয়েজ খাল খননের মূল উদ্যোক্তা ছিলেন ফরাসি প্রকৌশলী ফারদিনান্দ দি লেসেন্স। ১৮৫৪ সালে বিভিন্ন দেশের প্রকৌশলীরা মিলে এর নকশা তৈরি করেন। সায়িদ পাশা ছিলেন তাখন মিশরের ক্ষমতায়। মিসর ও সুদানের শাসক মিলে ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম সুয়েজ চ্যানেল কোম্পানি গঠন করেন এবং অবশেষে খালের খনন কাজের যাত্রা শুরু হয় ১৮৫৯ সালের ২৫ এপ্রিল। সুতরাং বুঝতেই পারছেন, এককথায় আপনার প্রশ্নের জবাব দেয়া কতটা কঠিন। সুয়েজ খাল নিয়ে গবেষনা ধর্মী লেখা পড়ুন এখানে। আশা করি আপনার উত্তরটি পেয়ে গেছেন। ধন্যবাদ।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy