2 Answers

দুনীতি প্রতিরোধে নিম্মলিখিত ব্যবস্থা গুলি নেওয়া যেতে পারে। ১ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অক্ষুণ রাখা । ২ দুনীতি দমন কমিশনকে সরকারী প্রভাবমুক্ত করা। ৩ বাজার তদারকির সাবক্ষণিক ব্যবস্থা রাখা । ৪ শ্রেণী পাঠদান নিশ্চিত করতে হবে ,পরীক্ষায় নকল প্রথা বন্ধ করতে হবে এবং কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে। ৫ সটিক আয় অনুযায়ী কর প্রদানে বাধ্য থাকিবে হবে । ৬ ঋণখেলাপিদের ঋণ প্ররিশোধ করার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা। ৭ প্রত্যেকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা ।৮ মিডিয়ার মাধ্যমে দুনীতি প্রতিরোধ এবং সকলকে সচেতন করতে ব্যাপত প্রচারণা চালাতা হবে। ৯ দুনীতি বাজদের চিন্থিত করে সামাজিক ভাবে বয়কট করা।

6413 views

দূর্নীতি প্রতিরোধে কয়েকটি উপায় নিচে তুলে ধরা হলঃ  ১. দুর্নীতিবিরোধী চিন্তাচেতনার বিকাশ ও বিস্তার ঘটানো। ২. আন্দোলন পরিচালনার জন্য সংগঠন গড়ে তোলা। ৩. নেতৃত্ব ও সংগঠনের প্রতি জনগণের সমর্থন ও আস্থা অর্জন করা। ৪. দুর্নীতি মোকাবেলায় গঠিত সংগঠনে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। ৫. ক্ষমতা ও কার্যকারিতা বিবেচনায় দুর্নীতি মোকাবিলায় অধিকতর ফলদায়ক উপায় ও পন্থা নির্বাচন। ৬. গৃহীত উপায় ও পন্থার প্রতি জনসর্থন যাচাই ও প্রয়োজনে সংশোধন। ৭. জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দুর্নীতি মোকাবিলায় কার্যকর পন্থা ও উপায় কার্যকরকরণ। ৮. মূল্যায়ন ও কার্যকারিতা স্থায়ীকরণ। ৯. ধর্মীয় বিধানাবলি প্রচার ও কার্যকর করা। ১০. দুর্নীতিবিরোধী সাংস্কৃতিক কর্মকা- পরিচালনা করা। ১১. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। ১২. দুর্নীতিবাজদের উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করা। ১৩. দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালন করা। ১৪. দুর্নীতিবাজদের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ বা সামাজিকভাবে বয়কট করা। ১৫. দক্ষ তদন্তকারী এবং সরকারি আইনজীবী নিয়োগ করে দুর্নীতিবাজদের শাস্তি প্রদান নিশ্চিত করা। ১৬. দুর্নীতি দমন কমিশনকে সত্যিকার অর্থে স্বাধীন ও শক্তিশালী করা।

6413 views

Related Questions