1 Answers

***নিম্নে মুক্তিযুদ্ধের তাৎপর্য বর্ণনা করা হল :  পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর শাসন ও শোষণের হাত থেকে চূড়ান্ত মুক্তির লক্ষ্যে ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ শুরু হয় আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। এবং দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে আমাদের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমেই আমরা আমাদের এই দেশটি পেয়েছি। এর ফলেই পৃথিবীর বুকে আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক। জাতি, ধর্ম, বর্ণ, নারী, পুরুষ নির্বিশেষে সকলেই এই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ তাই সবার। এই স্বাধীন দেশে তাই সবার সমান অধিকার রয়েছে এবং এই দেশকে সুন্দর করে গড়ার দায়িত্ব আমাদের সবার। মুক্তিযুদ্ধে লক্ষ লক্ষ প্রাণের আত্মত্যাগ এবং মা-বোনের উজ্জতের বিনিময়ের মাধ্যমে যে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে সেই কথা মনে রাখা আমাদের কর্তব্য এবং দায়িত্ব। মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে সাথে যারা মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন এমন সাধারণ মানুষের অবদানের কথাও আমাদের স্মরণ রাখতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা বিশ্বসভায় পেয়েছি মর্যাদার আসন। সুযোগ পেয়েছি নিজের দেশ গড়ার এবং নিজ মাতৃভাষাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত করার। তাই আধুনিক উন্নত বাংলাদেশ গড়তে হলে আমাদের এই জাতীয় ঐক্য ও দেশপ্রেম সব সময় প্রয়োজন। আমরা মুক্তিযুদ্ধের উদার মনোভাব ও গণতান্ত্রিক চেতনা সর্বদা লালন করব। স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবস উদযাপনে অংশগ্রহণ করব। এদেশকে সুখী, সুন্দর ও সমৃদ্ধ রূপে গড়ে তুলতে আমরা গঠনমূলক কাজে অংশগ্রহণ করব। যাতে বাংলাদেশ একদিন বিশ্বের উন্নত দেশের সারিতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে।

7403 views Answered

Related Questions

Next steps