2 Answers
খতনা করা গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত অর্থাৎ সুন্নতে মুআক্কাদাহ। আর সুন্নতে মুআক্কাদাহর হুকুম হচ্ছেঃ যদি কেউ তা ইচ্ছাকৃত ভাবে ছেড়ে দেয়, তাহলে সে গুনাহগার হবে। অন্য দিকে এটি শিআরে ইসলাম অর্থাৎ ইসলামের মৌলিক নিদর্শনের অন্তর্ভুক্ত। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ফিতরাত (তথা নবীগণের সুন্নত) পাঁচটি : খতনা করা, নাভীর নিচের পশম পরিষ্কার করা, বগলের পশম উঠানো, মোঁচ ছোট করা এবং নখ কাটা।-সহীহ বুখারী, হাদীস : ৬২৯৭। উক্ত আলোচনা দ্বারা এ কথা স্পষ্ট হয়ে গেল যে, যারা খতরা করা ইচ্ছাকৃত ভাবে ছেড়ে দিবে,তারা মুসলিম থাকবে বটে, কিন্তু এর জন্য আল্লাহর কাঠ গড়ায় দাঁড়াতে হবে। আর যদি কোনো কারণে ছোটবেলায় খতনা করতে না পারে, তাহলে তার উচিৎ যে কোনো সময় খতনা করানো। গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
খৎনা ফরজ কোনো বিষয় নয় যে, এটা না করলে মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে যাবে। বরং এটা সুন্নত। এর অনেক উপকারীতা রয়েছে বিধায় এটা করা সুন্নত। খৎনা না করলে একজন মুসলমান পুরুষের ধর্মীয় বিভিন্ন বিধি বিধান মেনে চলা কষ্টকর হয়। ফরজ গোসল করা কষ্টকর হয়ে যায়। দাম্পত্য সুখের প্রকৃত মহিমা অজানা থেকে যায়। নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। বিস্তারিত জানতেঃ এখানে ক্লিক করুন...
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy