6 Answers
হযরত মুহাম্মদ (সঃ) যা করেছেন, করতে বলেছেন । তাই সুন্নত। সুন্নত দুই প্রকার। সুন্নাতে মুয়াক্কাদা , সুন্নাতে গায়েরে মুয়াক্কাদা।
ইসলামি পরিভাষায় সুন্নাত হোল রাসুল সা এর পন্থা ও আদর্শ। চাই তা আকিদাগত বা আমল। এছাড়া সাহাবা কেরাম রাঃ এর আকিদা ও আমল সুন্নাহ এর অন্তর্গত। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাত ৩ প্রকার ১- কাওলি সুন্নাত- এটা হোল নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লম এর বানী – প্রতিটি কাজ নিয়তের উপর নির্ভরশীল [বুখারি] ২-ফেলি সুন্নাত- এটা নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লমের কর্ম। যেমন সালাত আদায়ের পদ্ধতি , হাজ্জ করার পদ্ধতি ৩- তাকরিরী সুন্নাত–এটা নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সমর্থন। যেমন একজন লোককে ফজরের ফরজ নামায পড়ে তারপর সুন্নাত আদায় করতে দেখার পর তার সমর্থন করলেন [ সহিহ আবু দাউদ] ———– সূত্র- উসুলুদ্দিন লিখেছেন আবু আহমাদ সাইফুদ্দিন বেলাল।
সুন্নাহ বা সুন্নত হল একটি আরবী শব্দ যার আভিধানিক অর্থ হল ঐতিহ্য বা উপায়। মুসলিমদের কাছে সুন্নাহ হল নবী মুহাম্মদ কর্তৃক নির্দেশিত জীবনব্যবস্থা। মুসলিমগণ বিশ্বাস করে থাকেন যে, মুহাম্মদের জীবন হল সর্বোত্তম আদর্শ তাদের নিজস্ব জীবনে অনুসরণ করার জন্য। তথ্য সূত্র উইকিপিডিয়া।
সুন্নত শব্দের অর্থ সুস্পষ্ট রীতি, নিয়ম বা তরীকা । প্রচলিত অর্থে সুন্নত বলতে হযরত রাসুল(সাঃ)-এর রীতিনীতিকে বুঝানো হয়ে থাকে । ইসলামী পরিভাষায় আল্লাহ্ এবং রাসুল(সাঃ)-এর পছন্দনীয় রীতিনীতি ও নির্দেশিত পথকে সুন্নত নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে । সুন্নতের ব্যাখাঃ- হযরত রাসুলে আকরাম (সঃ) ছিলেন উম্মতে মোহাম্মদীরর জন্য শিক্ষক সরূপ । মুসলমানদের চাল-চলন, আচার-ব্যবহার, ইবাদাত- বন্দেগী এবং আদর্শ ও চরিত্র কেমন হবে, শিক্ষাগুরু হিসেবে তিনি নিজের জীবনে এসব বাস্তবে আমল করে উম্মতের জন্য নিদর্শন রেখে গেছেন । তাঁর সারাজীবনের কথা ও কাজের মাধ্যমে রেখে যাওয়া আদর্শ উম্মতে মোহাম্মদীর জন্য তরীকা বা সুন্নতে রাসুল(সঃ) । মানবের দেহ এবং আত্মা এই উভয় অংশের উৎকর্ষ সাধন ব্যতিত সে পূর্ণাঙ্গ মানুষ হতে পারে না । তাই রাসুল(সঃ) মানুষের চরিত্র সংশোধনের পদ্ধতি শিক্ষাদানের পাশাপাশি আত্মার উন্নতি সাধনের পদ্ধতিও শিক্ষা দিয়েছেন, যাতে মানুষ আল্লাহ্র পরিচয় লাভ করতে পারে । হেদায়েতের দায়িত্বে নিয়োজিত রাসুলের উত্তরসুরি অলি-আল্লাহ্গণ রাসুলের সুন্নত অনুসারেই মানুষকে সু-শিক্ষা দিয়ে থাকেন । অর্থাৎ মানুষের বাহ্যিক চরিত্র এবং আত্মিক উন্নতি বিধানই তাঁদের লক্ষ্য । তাঁদের শিক্ষা পদ্ধতি অনুসারেই রাসুল(সঃ)-এর সুন্নত আদায় হয় । ফলে, মানুষ তাঁর আধ্যাত্মিক উন্নতি নিজেই পরিস্কারভাবে অনুভব করতে পারে- বই পড়ে, বাহ্যিক ও আনুষ্ঠানিক ধর্ম আচরণের মাধ্যমে যা অর্জন করা সম্ভব নয় ।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy